
সিলেট পানি উন্নয়ন সার্কেলের অর্থ ব্যয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় এসব স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রবীর কুমার গোস্বামীর কথিত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও নোটিশে তুলে ধরা হয়েছে।
নোটিশে আরও দাবি করা হয়, বিভিন্ন সময়ে তৎকালীন সরকারের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা এবং বিভিন্ন ‘মনগড়া’ প্রকল্প অনুমোদনের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া নোটিশে উল্লেখ করা হয়, চিকিৎসার জন্য ভারত ভ্রমণের উদ্দেশ্যে প্রবীর কুমার গোস্বামী ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর এবং ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি নেন।
নোটিশে অভিযোগ করা হয়, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যয়ের পাশাপাশি সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়ম হয়েছে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত করে প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলের জন্য নোটিশে অনুরোধ করা হয়েছে।
তবে কারণ দর্শানোর নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রবীর কুমার গোস্বামীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :