
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ৬০ বছর বয়সী এক দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফয়সাল খান। ভুক্তভোগীর পরিবারের অনুরোধে মামলাটি সম্পূর্ণ বিনা পারিশ্রমিকে পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
গত ১১ আগস্ট ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে খাবার খাওয়ানোর কথা বলে ওই নারীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বেল্লাল সিকদার ও নাছির মল্লিক নামে দুজনকে আটক করে পুলিশ। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে অ্যাডভোকেট মো. ফয়সাল খান বলেন, “অসহায় ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এই বৃদ্ধার সঙ্গে ঘটে যাওয়া ন্যক্কারজনক ঘটনার সংবাদ আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় তাঁর পরিবার আমার ওপর আস্থা রেখে মামলাটি পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।”
তিনি বলেন, “আমি তাঁদের আশ্বস্ত করেছি—এই মামলাটি সম্পূর্ণ বিনা পারিশ্রমিকে পরিচালনা করব। ভুক্তভোগীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনগত সহায়তা ও সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।”
অভিযুক্তদের শাস্তির বিষয়ে আইনজীবী ফয়সাল খান বলেন, “অপরাধীর পরিচয় নয়, অপরাধই হবে বিচারের মানদণ্ড। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য আইনগতভাবে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হবে।”
তিনি আরও বলেন, অসহায় এই বৃদ্ধার ন্যায়বিচারের লড়াই শুধু তাঁর পরিবার বা স্বজনদের একার লড়াই নয়; এটি সমাজের সবার মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে, অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি দ্রুত আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :