জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে নবীনদের বরণ করল বাকৃবির নাজমুল আহসান হল | Daily AjKaler Kontho

জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে নবীনদের বরণ করল বাকৃবির নাজমুল আহসান হল


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ৬, ২০২৫, ৯:০৬ পূর্বাহ্ন
জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে নবীনদের বরণ করল বাকৃবির নাজমুল আহসান হল

বাকৃবি প্রতিনিধি : বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শহীদ নাজমুল আহসান হলে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শিক্ষার্থীদের জন্য জাঁকজমকপূর্ণ নবীনবরণ, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করা হয়েছে।

রোববার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় হলের সামনের মাঠে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে হল প্রশাসন। নবীনদের বরণ উপলক্ষে হল প্রাঙ্গণ বর্ণিল আলোয় সাজানো হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শহীদ নাজমুল আহসান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. কাজী কামরুল ইসলাম। সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন হাউজ টিউটর জেনারেল সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ইকরামুল হক। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. মো. মিজানুর রহমান, এনএসি গ্রুপের বাংলাদেশ হেড অব বিজনেস আবুল হাসান মোস্তফা কামাল, এবং এনএসি গ্রুপের হেড অব অপারেশন অব সিড ও হলের সাবেক ছাত্র সুলতান মাহমুদ।

অনুষ্ঠানের সূচনা হয় কোরআন তেলাওয়াত এবং গীতা পাঠের মাধ্যমে। অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়ার পর হলের হাউজ টিউটর ড. সবুজ রহমান শহীদ নাজমুল আহসানের জীবনী এবং হলের নিয়মকানুন তুলে ধরেন। এরপর নবীন শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।
নবীন বরণের আনুষ্ঠানিকতা শেষে হলের শিক্ষার্থীদের জন্য বারবিকিউ পার্টি এবং সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, “জীবনের প্রতিটি সময় গুরুত্বপূর্ণ। কৃষিবিদরা পিছিয়ে থাকবে এটা কাম্য নয়। স্টার্টআপ ও ব্যবসার দিকে মনোযোগী হতে হবে। সঠিক সময় ক্লাস ও পরীক্ষা চালিয়ে যেতে হবে। বাকৃবির শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্বজয়ের লক্ষ্যে কাজ করে।”

প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম বলেন, “বাকৃবিতে র‌্যাগিং কালচারের কবর রচনা করা হয়েছে। কোনোভাবে র‌্যাগিংয়ের শিকার হলে আমাদের জানালে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক নির্মূলে আমরা কাজ করছি এবং নবীনদের অনুরোধ করব মাদক থেকে দূরে থাকতে।”

প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. কাজী কামরুল ইসলাম বলেন, “আমি চাই শিক্ষার্থীরা প্রথম দিন থেকেই সফল ব্যক্তিদের সাথে পরিচিত হতে পারে। হলের সাবেক ছাত্রদের সঙ্গে নবীনদের যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেছি। শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে আমি তাদের পাশে থাকব।”

শিক্ষার্থীদের জন্য এমন আয়োজনে পুরো হলজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।