
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের চরগরবদি কমিউনিটি ক্লিনিককে ঘিরে মাদকাসক্ত ও উঠতি বয়সী বখাটে যুবকদের উৎপাতের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ক্লিনিকটি প্রতিদিন কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর মাদকসেবীদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়। সর্বশেষ শনিবার রাতে দুর্বৃত্তরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ক্লিনিকের দরজা-জানালা ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ক্লিনিকের দায়িত্ব পালন করেন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) খন্দকার সালেহ আহমেদ। দায়িত্ব শেষ করে তিনি চলে যাওয়ার পর ক্লিনিক ভবনটি অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকে। এ সুযোগে সন্ধ্যার পর থেকে সেখানে মাদকাসক্ত ও বখাটে যুবকদের আনাগোনা শুরু হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, ক্লিনিকের আশপাশে প্রায়ই বখাটেদের জটলা দেখা যায়। তারা প্রকাশ্যে মাদক সেবন ও উচ্চস্বরে হৈচৈ করলেও ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পান না। প্রতিবাদ করলে হয়রানি বা অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে বলেও জানান তারা।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, শনিবার রাতে কয়েকজন মাদকাসক্ত নেশার ঘোরে ক্লিনিকের দরজা ও জানালা ভাঙচুর করে। এসময় পথচারীরা ঘটনাটি দেখলেও ঝামেলায় জড়ানোর ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেননি।
এ বিষয়ে চরগরবদি কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিএইচসিপি খন্দকার সালেহ আহমেদ বলেন, “বর্তমানে ক্লিনিকে আমি একাই কর্মরত আছি। অন্য কোনো জনবল না থাকায় দায়িত্ব শেষে ক্লিনিক তদারকি করা সম্ভব হয় না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল ক্লিনিকটিতে দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ এবং মাদকাসক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :