
বায়েজিদ আহমেদ জোনায়েত : তিতুমীর কলেজকে তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তরে দাবিতে সড়ক ও রেল অবরোধ করে তা কলেজের শিক্ষার্থীরা।
আজ যখন তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক এবং রেলগেটে অবরোধ করে। তারা যখন রেললাইনের উপরে অবস্থান নিয়েছিল তখন নোয়াখালি থেকে ছেড়ে আসা উপকূল এক্সপ্রেস এ ট্রেন আসছিল এবং সেই ট্রেনটি শিক্ষার্থীদেরকে পরোয়া না করেই সম্পূর্ণ স্পিডে চলে আসে তখন অবস্থা বেগতিক দেখে শিক্ষার্থীরা দুই পাশে সরে যায় এবং ট্রেনটি থেমে যায় সেখানে শিক্ষার্থী ছাড়াও সাধারণ জনগণ এবং কিছু লোকজন ছিল শিক্ষার্থীদের অবস্থানের পরও ট্রেনের এরকম স্পিডে আসায় তারা ক্ষুব্ধ হয়।
আন্দোলনকেরত কিছু শিক্ষার্থী রা চলন্ত ট্রেনের উপর ইট পাটকেল ছুড়ে। এতে আনেক অনেক যাত্রী আহত হয়। তিতুমীর শিক্ষার্থীরা তখন অবস্থা বুঝে মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে ট্রেনটিকে ছেড়ে দেয়। এই ঘটনায় ট্রেনে কয়েকজন যাত্রীর আহত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে যা খুবই দুঃখজনক। এ বিষয় তিতুমীর কলেজের এক শিক্ষার্থী দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন।
সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী কর্তৃক ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের জন্য, একজন তিতুমীরিয়ান হিসেবে আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থী। এইটা অবশ্যই নিন্দনীয়।
তবে আপনারা অনেকেই যেটা জানেন না, রেল ক্রসিং থেকেও আরও কয়েকশো মিটার আগে লাল পতাকা উড়িয়ে ট্রেন থামার জন্য সংকেত দেওয়া হলেছিল। যেন ট্রেন থামার জন্য যথেষ্ট সময় পায়। কিন্তু সামনে শিক্ষার্থী থাকা সত্ত্বেও ট্রেন ফুল স্পিডে রেলক্রসিং এর ঐখানে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সামনে দিয়ে যায়।ভিডিও দেখলে খেয়াল করবেন আর ১০ সেকেন্ড দেরী হলেই বিরাট ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারতো। এছাড়াও অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়।
তখন ট্রেন থামাতে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করা হয়, যা অবশ্যই নিন্দনীয়। এর জন্য আমি একজন তিতুমীরিয়ান হিসেবে আবারও ক্ষমা চাচ্ছি।আমাদের কর্মসূচি পূর্বঘোষিত ছিল। তাহলে কেন শিক্ষার্থীরা অবস্থান করা সত্ত্বেও তার উপর দিয়ে ট্রেন চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হলো?
বাংলাদেশের ফৌজদারী আইন অনুসারে, চলন্ত ট্রেনে পাথর নি*ক্ষেপের জন্য ১০ হাজার টাকা জরিমানার পাশাপাশি ১০ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের কথা বলা আছে। আর কোনো রেলযাত্রী মারা গেলে ৩০২ ধারায় ফাঁ*সিরও বিধান আছে। পাথর নিক্ষেপকারী অপ্রাপ্তবয়স্ক হলে সেক্ষেত্রে তার অভিভাবকের শাস্তির বিধান আছে।



আপনার মতামত লিখুন :