ডায়াবেটিসের লক্ষণ এবং প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি

নিউজটি শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিনিধি সত্যেন্দ্র পাল এর কলামঃ ডায়াবেটিস কি? একটি বিপাকীয় রোগ বিশেষ, যার বাংলা নাম বহুমূত্র বা মধুমেহ। এর ইংরেজী নাম Diabetes Mellitus(ডায়াবেটিস মেলিটাস) বা সহজ কথায় Diabetes(ডায়াবেটিস) । Diabetes একটি গ্রীক শব্দ,যার অর্থ – মাধ্যমে নির্গত হওয়া আর Mellitus একটি লেটিন শব্দ,যার অর্থ মধু। অর্থাৎ কোন কিছুর মাধ্যমে শরীর থেকে মধু তথা সুগার বা গ্লোকোজ নির্গত হওয়া। এই দুটি শব্দের অর্থ আর লক্ষণ থেকেই বাংলা নামকরণ হয়েছে বলা যায়।
পেট খালি অথবা উপোষ অবস্থায় FBS (Fasting Blood Sugar) যদি 80mg/dl বা কম হয় এবং আহারের দু’ঘন্টা পর বা অন্য সময়ে যদি FBS 120mg/dl বা এর কম হয় তবে ডায়াবেটিস হয়নি বলা যায়, এর বেশী হলে আমরা তাকে ডায়াবেটিস হয়েছে বলে ধরে নিতে পারি।
ডায়াবেটিস প্রধানত তিন প্রকারের-

১। ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস ২। ডায়াবেটিস মেলিটাস ৩। জেষ্টেশনাল ডায়াবেটিস
ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস এ শরীরে ইন্স্যুলিন তৈরী হয় না,তাই বাইরে থেকে ইন্স্যুলিন নিতেই হয়,তবে এই রুগীদের সংখ্যা খুব বেশী নয়। এটি টাইপ-১ নামে পরিচিত।
ডায়াবেটিস মেলিটাস এ শরীরে ইন্স্যুলিন তৈরী হয় বটে তবে তা সেভাবে কাজে লাগে না। এই রুগীদের সংখ্যাই সর্বাধিক প্রায় ৯০%। এটি টাইপ-২ নামে পরিচিত।
জেষ্টেশনাল ডায়াবেটিস – গর্ভবতী মহিলারাই এটি দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকেন।

ডায়াবেটিস কেন হয়?
আমরা নিত্য ভাত,রুটি,আটা,ময়দা,মাছ,মাংস,সবজি প্রভৃতি যে সমস্ত খাবার আহার করি এবং সেই সাথে যে সব মিষ্টি জাতীয় খাবার গ্রহণ করি তা পরিপাক হয়ে রসরূপে শেষে যকৃত বা লিভারে এসে গ্লাইকোজেন নামে জমা হয়।পরে সেটি সুগার বা গ্লোকোজে রূপান্তরিত হয়ে হৃৎপিণ্ডে আসে এবং রক্তবাহী নালীর মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন কোষে কোষে পৌঁছে। এই গ্লোকোজ থেকেই শরীরে শক্তি উৎপন্ন হয়। এই পৌঁছানোর কাজে যে হরমোনটি সাহায্য করে তা আমাদের প্যানক্রিয়াস দ্বারা উৎপন্ন হয়। এরই নাম ইন্স্যুলিন। এই ইন্স্যুলিন যদি কম উৎপাদিত হয় বা উৎপাদিত না হয় কিংবা উৎপাদিত ইন্স্যুলিন যদি কোষগুলি দ্বারা ব্যবহৃত না হয়,যাকে আমরা ইন্স্যুলিন রেজিষ্টেন্স বলি, তখন রক্তে গ্লোকোজের পরিমান স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। এই অবস্থাই ডায়াবেটিসের সৃষ্টি করে।

ডায়াবেটিসের কারণঃ
ডায়াবেটিস হবার মূল কারণ কিন্তু একটি প্যারাসাইট,যার নাম Eurytrema Pancreaticum, এটির উৎস গরু, ভেড়া ও ছাগলের প্যানক্রিয়াস। তাই ভেড়ার মাংস, ছাগলের মাংস ও গোমাংস ভক্ষণ আর দুগ্ধ বা দুগ্ধজাত দ্রব্য গ্রহণের মাধ্যমেই এটি মানব শরীরে প্রবেশ করে। কিন্তু প্রবেশ করলেই তো হবে না, এর বিকাশ এর জন্য চাই উপযুক্ত পরিবেশ। এর জন্য তাকে সাহায্য করে উড এলকোহল বা মিথানল নামে একটি রাসায়নিক। যা থাকে প্রকৃয়াজাত বিভিন্ন খাবারে।
তা ছাড়া আর যে সব কারণ এই ভাইরাসকে বিকশিত করতে সহায়তা করে তা হলো-
ভুল খাদ্যাভ্যাস, স্থুলতা, বংশগত রোগ, অতিরিক্ত চিন্তা, মানসিক পরিশ্রম, স্বল্প কায়িক পরিশ্রম, উচ্চ রক্তচাপ, বেশী LDL অথবা HDL এর পরিমান কম।

ডায়াবেটিসের লক্ষণঃ
প্রচুর প্রস্রাব সেই সাথে প্রস্রাবে মাত্রাতিরিক্ত সুগার, একজন ডায়াবেটিক রুগী সাধারণত ৪ থেকে ২০ লিটার পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় প্রস্রাব করতে পারে যেখানে একজন সুস্থ ব্যক্তির প্রস্রাব হয় ১ থেকে ১.৫ লিটার। ডায়াবেটিস রুগীর প্রস্রাব হয় ফ্যাকাসে এবং অম্লধর্মী। ক্ষুধা ও পিপাসা দুটোই বেশী থাকে, ওজন কমে যায়, অল্পেতেই ক্লান্তি আসে। অনুষঙ্গ হিসেবে দেখা যায় রক্তস্বল্পতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, যৌনাঙ্গে চুলকানী, বুক ধড়ফড়, দুর্বলতা, তন্দ্রাবস্থা ও যৌন উত্তেজনা হ্রাস পাওয়া ।তার সাথে থাকতে পারে চোখের সমস্যা, নিউরেপ্যাথি, গ্যাংগ্রীণ, হার্ট ব্লকেজ, কিডনির সমস্যা ও চুল পড়া।

ডায়াবেটিসের এলোপ্যাথিক চিকিৎসাঃ
ঔষধ, ইন্স্যুলিন এবং ক্ষেত্র বিশেষে ( গ্যাংগ্রীণ ) অস্ত্রোপচার। কিন্তু এতে রোগের মূল কারণ দুর হয় না, উপসম হয় মাত্র, বরং ঔষধজ প্রতিক্রিয়ার ফলে দিনে দিনে জটিলতা বাড়ে বৈ কমে না।

ডায়াবেটিসের সমন্বিত বিকল্প চিকিৎসাঃ

১। ফ্রিক্যুয়েন্সী থেরাপিঃ
Dr. Royal Raymond Rife নামে একজন আমেরিকার বৈজ্ঞানিক একশ বছর আগে ১৯২০ সালে সর্বপ্রথম এর আবিষ্কার করেন।উনার তৈরী মেশিনটি অনেক বড় ছিল। বর্তমানে এটি হাতে বহন করার মতো ডিজিটাল ভার্সনে পাওয়া যায়।এর বিশেষত হচ্ছে এর মাধ্যমে প্রায় চার হাজার রোগের চিকিৎসা করা যায়, কথাটি শুনতে অবাক লাগলেও এটি সত্যি। এর মাধ্যমে সব ধরনের ব্যাক্টেরিয়া,ভাইরাস,ফাংগী বা অন্য প্যাথোজেন মেরে ফেলা যায়। প্রতিটি রোগ বা প্যাথোজেনের জন্য নির্দিষ্ট ফ্রিকুয়েন্সী এ দিয়ে তৈরী করে ব্যবহার করা যায়।যেমন ডায়াবেটিস এর জন্য দায়ী প্যারাসাইটের ফ্রিক্যুয়েন্সী 0.81, 1.42, 4.32, 5.5, 13.93, 122.5, 322.6, 433.8, 438, 441 টাইপ-২ ডায়াবেটিসঃ 0.15, 0.89, 1.7, 6.97, 12.89, 62.3, 429.7, 465, 895, 951.3 টাইপ-১ ডায়াবেটিস 0.15, 0.89, 1.7, 6.97, 12.89, 62.3, 429.7, 478.23, 895, 951.3 ,আর এটি ব্যবহার করাও সহজ, শুধু হাতের অথবা পায়ের তালুতে সাথে দেয়া বেল্ট লাগিয়ে নির্দিষ্ট সময় থেরাপি নিতে হয়। তবে প্রত্যেকদিন নিয়ম করে কিছুদিন ব্যবহার করতে হবে। এর মূল্য সবার নাগালের মধ্যে নয়। অরিজিনাল একটি জার্মানি মেসিনের দাম মডেল ভেদে ৭০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

২। আকুপাংচার থেরাপিঃ
আকুপাংচার পয়েন্ট, যে গুলো ডায়াবেটিসের জন্য ফলপ্রদ – Baihui(Du20), Jiaosun(S.J.20), Neck-Futu(L.I.18, Quchi(L.I.11), Sanyinjiao(SP6), Zusanli(ST36), Dazhui(DU14), Zhangmen(LIV13 এবং Taichong(LIV3) এখানে এই পয়েন্টগুলো নিয়ে আলোচনা করতে গেলে প্রতিবেদনটি অনেক বড় হয়ে যাবে বিধায় তা থেকে দুরে থাকলাম। আপনারা চাইলে ইন্টারনেটে এই পয়েন্টগুলোর অবস্থান ও উপকারীতা দেখে নিতে পারেন।

৩। বায়োম্যাগ্নেটিজম থেরাপি :
এটিও ফ্রিকুয়েন্সী থেরাপির মতো সমভাবে কাজ করে, তবে দু:খের বিষয় আমাদের দেশে এখনও কেহ এটি নিয়ে কাজ করেন না। যারা বিদেশে অবস্থান করছেন তারা এর সুযোগ নিতে পারেন। কিছু থেরাপিউটিক ম্যাগনেট শরীরের উপযুক্ত স্থানে বসিয়ে আধা ঘন্টার মতো থেরাপি দেয়া হয়। কতোগুলো থেরাপি প্রয়োজন সেটা রুগীর ধরনের উপর নির্ভর করে।

৪। ম্যাগনেট থেরাপি
২টি ৩০০০ গেজের ম্যাগনেট সংগ্রহ করুন। এবার ডানহাতের তালুতে নর্থ পোল তথা পজিটিভ পোল আর বা’হাতের তালুতে সাউথ পোল তথা নিগেটিভ পোল স্পর্শ করে পশ্চিম দিকে মুখ করে সকাল-সন্ধ্যা দুবার আধা ঘন্টা ধরে থেরাপি নিন। এতে উপকার না পেলে নর্থ পোল আপনার প্যাংক্রিয়াসের উপর আর সাউথ পোল উল্টোদিকে পিঠ বরাবর রেখে থেরাপি নিন।

৫। ম্যাগনেটিক ওয়াটার
নিয়মিত ম্যাগনেটিক ওয়াটার পান করুন। রাশিয়ান রা তাদের হাসপাতালগুলোতে বিগত ৩০ বছর ধরে এটি রুগীদের পান করিয়ে আসছে

৬। হোমিওপ্যাথিক মেডিসিনঃ
লক্ষণ সাদৃশ্যে ইউরেনিয়াম নাট্রিকাম, সিজিজিয়াম জাম্বুলিন, আর্সেনিক ব্রোমাইড, এমন এসেটিকাম, এসিড এসেটিকাম, ক্রিয়োজোট, রস এরোম্যাটিক, এসিড ফস, হেলোনিয়াস, এনানথিরাম, সিকেলি কর, ন্যাট্রাম মিউর,ইগ্নেসিয়া, ভ্যালেরিয়ানা, জিংক ভ্যালিরিয়ানা, পালসেটিলা, কষ্টিকাম, এরোম্যাটিক,রাসটক্স, এপিস, মার্ক পিনেরিস, ল্যাক ডিফ্লোর, ক্যালি নাইট্রিক প্রভৃতি ঔষধগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে । তবে এ ব্যাপারে কোন রেজিষ্টার্ড ও অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথের সাহায্য নেয়া উচিত।

৭। যোগাসনঃ
ডায়াবেটিসের জন্য উপযোগী আসনগুলো হলো – ভুজাঙ্গাসন, শলাভাসন, ধনুরাসন, পশ্চিমোত্তাসন, সর্বাঙ্গাসন, হলাসন ও শবাসন। এ ছাড়া প্রানায়ামগুলো হচ্ছে – কপালভাতি, অনুলোমা-ভিলোমা ও উজ্জাই। জগিং, সাঁতার ও হাঁটা ডায়াবেটিসের জন্য উপযোগী। তা ছাড়া মানসিক চাপ (ষ্ট্রেস ) নিয়ন্ত্রনের জন্য নিয়মিত মেডিটেশন করা জরুরী।

৮। ঘুমঃ
ডায়াবেটিক রুগীদের কমপক্ষে ৬.৩০ ঘন্টা থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিত। কম ঘুম হরমোনের অসমতা আনয়ন করে, ফলে এর প্রভাব পড়ে ইন্স্যুলিন ও থাইরোক্সিন এর উপর। ফলস্বরূপ হার্টের সমস্যা, থাইরয়েডের সমস্যা ও কিডনীর সমস্যায় পড়তে হয়।
এবার আসা যাক ধনী-গরীব নির্বিশেষে সবার জন্য উপযোগী বিষয়টি সম্পর্কে। যেটি ছাড়া ডায়াবেটিস থেকে মুক্ত বা নিয়ন্ত্রন একেবারেই অসম্ভব।

৯। নিউট্রিশনাল থেরাপিঃ
ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি বা এর নিয়ন্ত্রন মূলত জীবনপ্রণালী, খাদ্যাভ্যাস ও এর পুষ্টিগুণের উপর নির্ভর করে। ডায়াবেটিস হলে আমাদের শরীর থেকে অতি প্রয়োজনীয় ভিটামিন B, B1 থেকে B12, ভিটামিন C, ভিটামিন D এমন কি ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্রোমিয়াম,কপার,জিংক এবং সোডিয়াম এর মতো অতি প্রয়োজনীয় মেটাল ও মিনারেল শরীর থেকে বের হয়ে যায়।এই ঘাটতি পুরনে আমাদের এই সমস্ত ভিটামিন, মেটাল ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে, প্রয়োজনে সাপ্লিম্যান্ট ব্যবহার করতে হবে। তবে যাই ব্যবহার করি না কেন,তা যেন অর্গানিক হয়।
খাবার থেকে পুরোপুরি দুধ ও দুধ থেকে তৈরী সমস্ত খাবার খাওয়া ছেড়ে দিন। ডায়াবেটিসকে গুডবাই জানাতে হলে শুধু উদ্ভিজ্জ খাবার খেতে শুরু করুন। ফল হাতে- নাতে পাবেন। আমাদের প্রতিদিন আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে, কারণ আঁশযুক্ত খাবার রক্তে চিনি বা গ্লোকোজের পরিমান প্রবাহকে বিলম্বিত করে।আমাদের একটি ভ্রান্ত ধারনা যে, ফল খেলেই সুগার বেড়ে যাবে। আসলে ব্যাপারটি তা নয়। ফলে যেমন প্রাকৃতিক চিনি থাকে ,তেমনি আঁশও থাকে।খাঁটি মধু ও অর্গানিক ফলে যে প্রাকৃতিক চিনি থাকে তা ডায়াবেটিসের জন্য তেমনভাবে ক্ষতিকর নয়,বরং এদের পুষ্টিগুণ অনেক অনেক বেশী ,যা শরীরের জন্য হীতকর।তবে ফল গোটা খাওয়াই শ্রেয়, জুস করে নয়। ফল খালি পেটে অথবা মূল খাবারের আধা ঘন্টা আগে এবং সূর্য ডোবার আগে খাওয়া উচিৎ।
সাদা রিফাইন্ড চালের ভাত না খেয়ে, পারলে ঢেঁকী ছাঁটা চালের ভাত খাওয়ার চেষ্টা করুন,অগত্যা না পারলে কম করে খান, সাথে প্রচুর সবজী খান।আঁশযুক্ত খাবার ছাড়াও যে মসলাগুলো ঔষুধীগুণ সম্পন্ন সেগুলো হলো-
দারুচিনি(সবচেয়ে ভালো শ্রীলঙ্কার) খাওয়ার পর চিবিয়ে চিবিয়ে খান।
মেথি- দু চা চামচ মেথি এক গ্লাস জলে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন, সকালে মেথিসহ জলটুকু খেয়ে নিন।
অর্গানিক হলুদ গুঁড়ো আদা ও গোলমরিচের সাথে ফুটিয়ে সেঁকে নিয়ে চায়ের মতো খান।
দু-তিনটি রসুন কোয়া ছেঁচে নিয়ে এক চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে খান নিয়ম করে একবার।
নিয়মিত কারিপাতা খান স্যালাড হিসেবে।
লবঙ্গ ফুটিয়ে চা বানিয়ে খান অথবা দু ঘন্টা ভিজিয়ে সে জল খান।
নিয়মিত অরিগেনো খান যে কোন খাবারের সাথে।
১০ মিলি পরিমান আমলকীর রস ২ গ্রাম অর্গানিক হলুদ গুঁড়োর সাথে মিশিয়ে দিনে দুবার খেতে পারেন।
২০ মিলি করলার রস সকালে খালি পেটে খেয়ে দেখুন।
কালো জামের মরসুমে বীজ শুঁকিয়ে নিয়ে গুঁড়ো করে বোতলে ভরে রেখে দিন। ওখান থেকে ১ চামচ জলে গুলে নিয়ে প্রতিদিন খান।

উপরে উল্লেখিত নিয়ম মেনে চললে সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই একটা পরিবর্তন দেখতে পাবেন। অগত্যা না পারলে মাছ,মাংস,ডিম,দুধ,দুধের খাবার, প্রকৃয়াজাত খাবার,ভাজাভুড়ি প্রভৃতি একেবারেই কমিয়ে ফেলুন। পরিবর্তে উল্লেখিত খাবারের পরিমান বাড়িয়ে দিন।
মোদ্দা কথা অসুখ হলে এর কারণ নিরূপন করে সেই কারণ অপসারিত করার চেষ্টা করুন। তা হলে আপনাকে আর ঔষধ নির্ভর জীবন কাটাতে হবে না।

– লেখক, সত্যেন্দ্র পাল
হোমিওপ্যাথ ও ন্যাচারোপ্যাথ

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »