
দীর্ঘ ১৭ বছরের অপেক্ষা শেষে অবশেষে বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেসবুকে পোস্ট তিনি লেখেন, ‘জনাব তারেক রহমান, সপরিবারে সুস্বাগতম!’
এর আগে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ তাকে স্বাগত জানান। তিনি আজ দুপুরে ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড জুড়ে দিয়ে লেখেন, ‘আবার স্বাগতম! বাংলাদেশ আপনার কাছ থেকে ব্যতিক্রমী নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে।’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অন্যতম নেতা সারজিস আলমও তাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি তার স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান প্রায় দেড় যুগ পর বাংলাদেশে ফিরছেন।
স্বৈরাচারের পতন, পরিবর্তিত পরিস্থিতি, নানা উত্থান-পতন, রাজনৈতিক ক্রমধারার এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে, গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে তিনি আজ বাংলাদেশে আসছেন। আমরা ২৪-এর অভ্যুত্থানপরবর্তী বাংলাদেশে তাকে স্বাগত জানাই।’
দেশের স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান বলে জানিয়েছেন সারজিস। তিনি বলেন, ‘পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান বাস্তবতাকে সামনে রেখে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক লড়াই, আধিপত্যবাদবিরোধী লড়াই থেকে শুরু করে আগামীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার পথে বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা কাজ করে যাব, এটাই প্রত্যাশা। স্বাগতম।’
এর আগে দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৩৬ মিনিটে স্ত্রী-কন্যাসহ তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তারেক রহমানকে স্বাগত জানান। সেখানে ইমিগ্রেশনের কাজ শেষে তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসর বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে রওনা হন।
এ সময় তাকে একনজর দেখতে সড়কের পাশে অবস্থান নিয়েছেন সমর্থক ও নেতাকর্মীরা। তারেক রহমানও হাসিমুখে হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে এলাকায় গণসংবর্ধনার আয়োজন করেছে বিএনপি। কুড়িল মোড়সংলগ্ন সড়কের উত্তর পাশে দক্ষিণমুখী করে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ৪৮ ফুট বাই ৩৬ ফুটের বিশাল মঞ্চ।
আপনার মতামত লিখুন :