নির্বাচনের তফসিল প্রকাশ, গণতন্ত্রে নতুন দিগন্তের আশা কায়কোবাদের | Daily AjKaler Kontho

নির্বাচনের তফসিল প্রকাশ, গণতন্ত্রে নতুন দিগন্তের আশা কায়কোবাদের


কুমিল্লা উত্তর জেলা প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ৭:০৯ অপরাহ্ন
নির্বাচনের তফসিল প্রকাশ, গণতন্ত্রে নতুন দিগন্তের আশা কায়কোবাদের

রাজনীতির উত্তেজনা, অনিশ্চয়তার দীর্ঘ অন্ধকার আর টানাপোড়েনের মাঝে অবশেষে মিলল বহু কাঙ্ক্ষিত সেই দিনটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে—আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মেঘ ভেদ করে যেন জাতির আকাশে ফুটে উঠল এক ঝলক আশার আলো। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণাকে স্বাগত জানালেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, কুমিল্লার মুরাদনগর থেকে পাঁচবারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

ঘোষণার খবর ছড়িয়ে পড়তেই দৈনিক আজকালের কন্ঠের সঙ্গে আলাপকালে কায়কোবাদের কণ্ঠে শোনা গেল আবেগ, প্রত্যাশা আর দায়িত্ববোধের এক মিশ্র সুর। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বহু বছর ধরে ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত। সেই কষ্টের হিসাব নেই। আজকের এই সিদ্ধান্ত তাদের বুকের ভেতর নতুন করে আশার আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি যে সুষ্ঠু-গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে বছরের পর বছর সংগ্রাম করেছে, শহীদদের রক্ত, নেতাকর্মীদের ত্যাগ এই নির্বাচন যদি সত্যিকার অর্থে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করে, তবে সেই ত্যাগ আর অপেক্ষা বৃথা যাবে না।

কায়কোবাদ দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করে বলেন, এই দেশের মানুষ শান্তি চায়, ন্যায় চায়, ভোট দিতে চায়। আজকের ঘোষণা সেই অধিকার ফিরে পাওয়ার প্রথম দরজা খুলে দিল। এখন দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন, সরকার ও সব রাজনৈতিক পক্ষের, জনগণের সেই আশাকে সত্যিকারের ভোরে পৌঁছে দেওয়া।

কায়কোবাদ ভরসা রেখেছেন মানুষের ওপর। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যে জাতি বারবার অন্ধকারের দেয়াল ভেঙে আলো খুঁজে নেয় তারা অবশ্যই ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের উৎসবে সঠিক পথ বেছে নেবে। ইনশাআল্লাহ জনগণ ভোট দিয়ে বিএনপিকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেবে।

শেষে কায়কোবাদ এক তাগাদা দিয়ে বলেন, আমরা কেউ স্থায়ী নই। কিন্তু মানুষের অধিকার, মানুষের ভোট এটিই স্থায়ী হওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণাই নতুন দিনের ইশারা। এখন সবার দায়িত্ব এই ইশারাকে সত্যিকারের ভোরের আলোতে রূপ দেওয়া। নির্বাচন শুধু আরেকটি নির্বাচন নয়, এটি এক প্রজন্মের স্বপ্ন, অধিকার ও মর্যাদা পুনরুদ্ধারের লড়াই।

আজকালের কন্ঠ/আর বি