
নির্বাচনী প্রচারণার ধারাবাহিকতায় তিনি রবিবার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টায় তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের তারাগঞ্জ বাজারে ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট এন্ড বিজনেসম্যান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (আইবিডাব্লিউএফ) কর্তৃক আয়োজিত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে তারাগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন তারাগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামের নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো:মোশারফ হোসেন লেবু। এ সময় বক্তব্য রাখেন তারাগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম , মো: নাজিমুদ্দিন, রংপুর সুরা সদস্য আব্দুল হান্নান, উপজেলা জামাতের আমির এস এম আলমগীরসহ ইউনিয়ন ও উপজেলা জামায়াতের ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী।
মতবিনিময় সভায় এটিএম আজাহারুল ইসলাম বলেন, জনগণের ওপর অত্যাচার, নির্যাতন ও জুলুম চালিয়ে কোনো সরকারই বেশিদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না। এর উদাহরণ হলো ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার।খুনি হাসিনার নির্দেশে জুলাই বিপ্লবে আমার ছোট-ছোট ভাইদের পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমাকে বিনা দোষে ফাঁসিতে ঝুলিয়েও মারতে চেয়েছিল সেই খুনি হাসিনা।
কিন্তু আল্লাহর রহমতে ফাঁসির মঞ্চ থেকে আজ আপনাদের সামনে এই সমাবেশের মঞ্চে হাজির হয়েছি। এই সম্মান একমাত্র আল্লাহপাকই দিয়েছেন আমাকে।এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত খুনি হাসিনা বর্তমানে ভারতে বসে আবারও বাংলাদেশে অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করছে। দেশের স্বার্থে সবাইকে সচেতন ও সজাগ থাকতে হবে।
দুর্নীতি-মুক্ত সমাজ গড়াই আমাদের লক্ষ্যজনগণের কল্যাণে জামায়াতের নীতিগত অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন,আমাদের দল সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে এসেছে। দুর্নীতি, লুটপাট ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন।ক্ষমতায় এলে দীর্ঘদিন উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধার করা হবে।তিনি আরও বলেন,জনগণের করের টাকা জনগণের কল্যাণেই ব্যয় করা হবে। উন্নয়ন হবে সমানভাবে। কোনো শ্রেণি বা এলাকার প্রতি বৈষম্য থাকবে না।
আমরা চাই আদর্শিক নেতৃত্ব, যারা অন্যায়ের কাছে মাথানত করবে না। জনগণ সহযোগিতা করলে ন্যায়বিচার, সমতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমরা সক্ষম হবো।মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ীরা তারাগঞ্জ বাজারের অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, গাড়ি পার্কিং সমস্যা সমাধান, ড্রেনেজ সংস্কার এবং বাজারসংলগ্ন খালের উন্নয়নসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন এটিএম আজাহারুল ইসলামের এসব দাবি গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং বলেন, জনগণের সমস্যা সমাধানই হবে আমাদের প্রথম কাজ।
তারাগঞ্জ–বদরগঞ্জ অঞ্চলের উন্নয়ন, কৃষি-বান্ধব নীতি, বাজার-বান্ধব অবকাঠামো এবং কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।সভা শেষে তিনি ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
আজকালের কন্ঠ/ আর এস/এস
আপনার মতামত লিখুন :