
কুমিল্লার মুরাদনগরে উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই সরকারি মিলনায়তনে ‘প্রেসক্লাব সভা’ পরিচয়ে পুনর্বাসনমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। ঘটনাটি জানাজানি হতেই প্রশাসন ও এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আকস্মিকভাবে অনুষ্ঠিত সভায় নেতৃত্ব দেন যাত্রাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জুলাই আন্দোলনে নিহত ছাত্রের মামলার আসামি হাবিবুর রহমান এবং উপজেলা তাঁতীলীগের আহ্বায়ক আজিজুল হক। অভিযোগ উঠেছে, তারা দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে জোরপূর্বক মিলনায়তনে প্রবেশ করে ‘প্রেসক্লাব সভা’ নামের আড়ালে দলীয় পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেন।
ঘটনার ভিডিও–ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকে এটিকে ‘সরকারি স্থাপনা দখলের নগ্ন উদাহরণ’ আখ্যা দিয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা দাবি করেন।
এ প্রসঙ্গে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আবদুর রহমান বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলাম না। সেদিন পারিবারিক জরুরী কারণে ব্যস্ত ছিলাম। তারা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই সরকারি জায়গা ব্যবহার করেছে, এটি সরকারি সম্পদের অপব্যবহার। আমরা ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সভা আয়োজকদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে প্রশাসন।
আপনার মতামত লিখুন :