‘চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে’ থাকার প্রস্তাব ফেরালেন শবনম | Daily AjKaler Kontho

‘চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে’ থাকার প্রস্তাব ফেরালেন শবনম


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৪, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
‘চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে’ থাকার প্রস্তাব ফেরালেন শবনম

বিনোদন ডেস্ক : ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম। বাংলাদেশের পাশাপাশি পাকিস্তানেও জনপ্রিয়তার কমতি নেই তার। তবে দীর্ঘদিন ধরে রুপালি পর্দা থেকে দূরে রয়েছেন তিনি। তবে সম্প্রতি চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে থাকার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন শবনম। যেখানে এমন স্থানে থাকার ইচ্ছা পোষণ করেন সবাই, সেখানে প্রস্তাব পেয়েও ফিরিয়ে দিলেন এই অভিনেত্রী।

দিন কয়েক আগেই ১৫ সদস্য নিয়ে পুনর্গঠিত হয়েছিল ‘চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড’র কমিটি। কিন্তু তুমুল সমালোচনার মুখে সেন্সর বোর্ডের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড।’ এরইমধ্যে বোর্ড গঠন করে প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়েছে।

জানা গেছে, চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের সদস্যরাই নবগঠিত সার্টিফিকেশন বোর্ডে দায়িত্ব পালন করবেন। এ বিষয়েও প্রজ্ঞাপনও জারি করেছিল তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। তবে ওই কমিটির দুজন সদস্য সরে দাঁড়ানোয় তৈরি হয় শূন্যতা। পরে সেই স্থানে আসার জন্য প্রস্তাব করা হয় উপমহাদেশের কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনমকে।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর মুঠোফোনে কল করে চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে থাকার প্রস্তাব দেওয়া হলে শারীরিক অসুস্থতা থাকায় সেই প্রপোজাল সবিনয়ে ফিরিয়ে দেন শবনম।

গত ২১ সেপ্টেম্বর বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে অভিনেত্রী বলেন, মুঠোফোনে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা আমাকে চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে থাকার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু, এ মুহূর্তে আমার শরীর অনেক কিছুই পারমিট করে না। প্রতিদিন ডাক্তারের কাছে যাচ্ছি। এসব নিয়ে ভাবার সময়ও পাই না। তবে, মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ, তারা আমার কথা মনে করেছেন বলে। কারণ, তারা আমাকে নাও ভাবতে পারতেন।

শবনম আরও বলেন, শরীর অসুস্থ থাকলে আসলে কিছুই ভালো লাগে না। আমার অবস্থা এখন তা-ই। বোর্ডে থাকলে ভালো লাগত। আমি সব সময় একটু ঘরকুনো টাইপের মানুষ। কিছুদিন আগে পাকিস্তান ফিল্ম ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যানের পদে অফার করেছিল তারা। এর জন্য মোটা অঙ্কের অনারিয়ামও দিতে রাজি ছিল। কিন্তু, এ বয়সে এই গুরুভার নেওয়ার মতো ফিটনেস আমার নেই। তাছাড়া দেশ ছেড়ে কোথাও আর যেতে চাই না। যে কয়েকটা দিন বাঁচি, মাতৃভূমিতেই সবার সঙ্গে হেসে-খেলে কাটিয়ে বিদায় নিতে চাই।