মো. মোশারফ হোসেন দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : জনবল কাঠামো ও নিয়োগবিধি বাস্তবায়ন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যান পরিষদের ৫ দফা দাবীর আদায়ের সঙ্গে সংহতি রেখে সারা দেশের ন্যায় দশমিনা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ৪দিনের কর্মবিরতি পালন করেন।
(১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ৪র্থ দিনের মত এ কর্মবিরতি চলেছে। সোমবার(১২সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু হয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বুধবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকারী কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। বৃহস্পতিবার (১৫সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ৪র্থ দিনের মত চলছে এ কর্মবিরতি।
সোমবার(১২সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু হয়। এতে পিআইও অফিসে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সেবা নিতে আসা সেবাগ্রহীতারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে পিআইও অফিসে আসা লোকজন সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন-২০১২ এর আলোকে প্রস্তাবিত জনবল কাঠামো ও নিয়োগবিধি বাস্তবায়ন, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা(ডিআরআরও) পদ আপগ্রেডেশন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবয়ন কর্মকর্তা (পিআইও) পদ আপগ্রেডেশন, সচিবালয়ের ন্যায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কর্মচারীদের পদ নাম পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সকল শূন্যপদ পদোন্নতি/চলতি দায়িত্ব/নিয়োগের মাধ্যমে পুরণসহ ৫ দফা দাবীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সংযুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ বিগত ৯/১০ বছর যাবত আলোচনা সভা, মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধমে সুশৃঙ্খলভাবে আন্দোলন করে আসছে।
দশমিনা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রবিউল হোসেন দৈনিক আজকালের কন্ঠকে বলেন, দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেও আমরা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী সরকারের অনেক সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছি। বাংলাদেশকে সারা বিশ্বে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় ২০২২ সালেও বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অবহেলিত এবং বঞ্চিত। আর তাই দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত এ কর্মবিরতি চলবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের ৫টি যৌক্তিক দাবি নিয়ে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা- কর্মচারী কল্যান পরিষদ গত ৯/১০ বছর ধরে সুশৃঙ্খলভাবে আন্দোলন করে আসছে। তবে চলমান এই কর্মসূচীর যৌক্তিক দাবিগুলো যদি আদায় না হয় তাহলে পরবর্তিতে আরও কঠোর কর্মসূচীর ডাক দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
আজকালের কন্ঠ /রাকিব
আপনার মতামত লিখুন :