
পটুয়াখালীর দুমকিতে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি স্বীকৃতি ও নিবন্ধনের অপেক্ষায় থাকা জলিশা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুনীল চন্দ্র দেবনাথ।
সোমবার (২৯ জুন) দুপুর ১২টার দিকে সরকারি নির্দেশনার অংশ হিসেবে তিনি বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। এ সময় বিদ্যালয়ের অবকাঠামো, শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যালোচনা করেন। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহৃত সহায়ক যন্ত্রপাতি ও খেলাধুলার সামগ্রী ঘুরে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সৈয়দ আতিকুল ইসলাম জানান, পরিদর্শন শেষে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ ও শিক্ষা কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলমান নিবন্ধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যালয়টি শিগগিরই সরকারি স্বীকৃতি পাবে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত জলিশা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি এখনো সরকারি নিবন্ধনের অপেক্ষায় রয়েছে। নিবন্ধন না থাকলেও বিদ্যালয়টিতে নিয়মিত ও সুশৃঙ্খলভাবে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আরও জানান, বিদ্যালয়ের ৬৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে বিনা বেতনে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সরকারি নিবন্ধন না থাকায় তারা কোনো আর্থিক সুবিধা পাচ্ছেন না, ফলে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি সারাদেশের প্রতিবন্ধী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি ও নিবন্ধনের দাবিতে রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এর পর সরকার প্রতিবন্ধী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিবন্ধন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করে। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই জলিশা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করা হয়েছে।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :