অসাধু চক্রের বিরাগভাজন এসিল্যান্ড রুবাইয়া বিনতে কাশেম: সততা ও ন্যায়নিষ্ঠতায় আস্থার প্রতীক | Daily AjKaler Kontho

অসাধু চক্রের বিরাগভাজন এসিল্যান্ড রুবাইয়া বিনতে কাশেম: সততা ও ন্যায়নিষ্ঠতায় আস্থার প্রতীক


শাহাদাত হোসেন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : মে ১০, ২০২৬, ৩:৩৫ অপরাহ্ন
অসাধু চক্রের বিরাগভাজন এসিল্যান্ড রুবাইয়া বিনতে কাশেম: সততা ও ন্যায়নিষ্ঠতায় আস্থার প্রতীক

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া বিনতে কাশেম বর্তমানে স্থানীয় প্রশাসন ও জনমহলে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। একদিকে চলমান মামলা, অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে তাঁকে ঘিরে আলোচনা সব মিলিয়ে তাঁর কর্মকাণ্ড নিয়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

স্থানীয় সূত্র ও সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দায়িত্ব পালনে সততা, স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব মনোভাবের কারণে অল্প সময়েই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন এই কর্মকর্তা। ভূমি সংক্রান্ত সেবা সহজীকরণ,অনিয়ম প্রতিরোধ এবং ভোগান্তি কমাতে তাঁর নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ ইতোমধ্যেই ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ,দীর্ঘদিন ধরে একটি অসাধু দালালচক্র ভূমি অফিসকেন্দ্রিক নানা অনিয়ম ও অবৈধ সুবিধা ভোগ করে আসছিল। তবে রুবাইয়া বিনতে কাশেম দায়িত্ব গ্রহণের পর এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন। ফলে সাধারণ মানুষ স্বস্তি পেলেও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে স্বার্থান্বেষী মহল।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, অনিয়মে বাধা পাওয়ায় একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো,মানহানিকর মন্তব্য এবং মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগও উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব অপচেষ্টার মূল উদ্দেশ্য হলো একজন সৎ কর্মকর্তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং প্রশাসনের স্বচ্ছ কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করা।

গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের অভিমত, একজন দায়িত্বশীল ও ন্যায়নিষ্ঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার শুধু ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়;বরং সুশাসন ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা। তারা মনে করেন,দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া কর্মকর্তাদের পাশে দাঁড়ানো সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

এদিকে সকল চাপ, সমালোচনা ও প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও রুবাইয়া বিনতে কাশেম তাঁর দায়িত্ব পালন অব্যাহত রেখেছেন। ঘনিষ্ঠজনদের ভাষ্য, তিনি বিশ্বাস করেন,সততাই সবচেয়ে বড় শক্তি, আর জনসেবাই একজন কর্মকর্তার প্রকৃত পরিচয়।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে,জনস্বার্থে কাজ করা সৎ কর্মকর্তাদের নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে ভিত্তিহীন অপপ্রচার ও হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তারা।

আজকালের কন্ঠ/আর বি