দুমকিতে এলজিইডি সড়কের বেহাল দশা, পাকাকরণের দাবি এলাকাবাসীর | Daily AjKaler Kontho

দুমকিতে এলজিইডি সড়কের বেহাল দশা, পাকাকরণের দাবি এলাকাবাসীর


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৪, ২০২৫, ২:৫১ অপরাহ্ন
দুমকিতে এলজিইডি সড়কের বেহাল দশা, পাকাকরণের দাবি এলাকাবাসীর

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম ঝাটরা সফের মুন্সীর ব্রিজ থেকে আলী আকবরের দোকান হয়ে পশ্চিম ঝাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় ১ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার এলজিইডি নির্মিত হেরিংবন্ড সড়কটির বেহাল দশা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে শিক্ষার্থী, রোগী ও পথচারীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, সাময়িক সংস্কার নয়—অবিলম্বে সড়কটি পাকাকরণ করা হোক।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে ইট উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষার পানি জমে হাঁটুসমান কাদা তৈরি হওয়ায় যান চলাচল প্রায় বন্ধের উপক্রম। বিশেষ করে স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই সড়ক ব্যবহার করছেন।

এলাকার বাসিন্দা এম. আমির হোসাইন বলেন, “এই সড়ক দিয়েই প্রতিদিন স্কুলের শিশু, শিক্ষক ও স্থানীয় মানুষজন চলাচল করেন। কিন্তু সড়কের এমন করুণ অবস্থার কারণে সবাই বিপদে থাকে।”

স্থানীয় দোকানদার আলী আকবর বলেন, “বছরের পর বছর সড়কটি ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে আছে। বর্ষায় কাদা, শুষ্ক মৌসুমে ধুলায় দোকানপাটে বসা যায় না। অভিযোগ করেও কোনো সাড়া পাইনি।”

৩৪ নং পশ্চিম ঝাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাহ আলম বলেন, “খারাপ রাস্তার কারণে আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ভোগান্তিতে থাকে। অনেক সময় কাদা-পানিতে পড়ে আহতও হয়।”

আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান বলেন, “সড়কটির অবস্থা সত্যিই নাজুক। তবে বাজেট সংকটের কারণে সংস্কার কাজ শুরু করা যায়নি।”

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল জব্বার সিকদার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “অবিলম্বে সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।”

এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান জানান, “সড়কটি পরিদর্শনের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটির সংস্কার ও স্থায়ীভাবে পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারেন।

আজকালের কন্ঠ/আর বি