মঠবাড়িয়ায় ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ | Daily AjKaler Kontho

মঠবাড়িয়ায় ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫, ৩:৫৭ অপরাহ্ন
মঠবাড়িয়ায় ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ

পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার সাপলেজা ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা (সহকারী তহসিলদার) তিমির কান্তি হালদারের বিরুদ্ধে জমি নামজারিসহ ভূমি সংক্রান্ত কাজের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, টাকা ছাড়া তিনি কোনো কাজে হাত দেন না। অর্থের বিনিময়ে যাচাই-বাছাই ছাড়াই প্রতিবেদন তৈরি করায় প্রতারিত হচ্ছেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ,এমন অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। নামজারিতে সরকারিভাবে খরচ ১১৭০ টাকার কথা থাকলেও বাস্তবে ৭ হাজার টাকা,বা যার কাছ থেকে যেমন মনে হচ্ছে তেমন নিচ্ছেন।

নামজারি মঞ্জুর হলে ১১০০ টাকা অনলাইনে পরিশোধ করুন এমন সাইনবোর্ডটি এখন লোক দেখানো। অনেকে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন যদি জমিজমা সংক্রান্ত কোনো ঝামেলায় পড়েন।একাধিক ব্যক্তির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাংবাদিকরা সরেজমিনে গেলে সাংবাদিকদের সামনে বসিয়ে রেখে হঠাৎ দৌড়ে পালিয়ে যান তিমির কান্তি হালদার। এরপর তাকে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া মেলেনি আর।

ভুক্তভোগীরা জানান,এমন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ জমি সংক্রান্ত নানা জটিলতায় পড়ছেন। আমরা গ্রামের সহজ সরল মানুষ নামজারিতে ১১৭০ টাকা লাগলেও আমরা জানতাম ৭ হাজার টাকা লাগে। তারা সেই টাকা নিচ্ছে আর আমরা দিতে বাধ্য হচ্ছি। টাকা না দিলে কারো কাগজ ঠিক মত করে দেন না সেই ভয়ে টাকা দিচ্ছেন অনেকেই।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র মিস্ত্রী বলেন, আমাকে না জানিয়ে তিমির বাবু অফিস ছেড়ে চলে গেছেন। হয়তো সাংবাদিকদের দেখেই তিনি পালিয়ে যান।

মঠবাড়িয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাইসুল ইসলাম জানান,তিমির কান্তি হালদারের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ ওঠায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রেক্ষিতে এরই মধ্যে দুটি ইনক্রিমেন্ট বাতিল করা হয়েছে এবং পদোন্নতি স্থগিত রাখা হয়েছে।

 

আজকালের কন্ঠ/আর এস /এন