বরিশালে অগ্নিকান্ডে পুড়ছে দোকানসহ বসতঘর, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি | Daily AjKaler Kontho

বরিশালে অগ্নিকান্ডে পুড়ছে দোকানসহ বসতঘর, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : জুন ২১, ২০২৪, ৫:১৫ অপরাহ্ন
বরিশালে অগ্নিকান্ডে পুড়ছে দোকানসহ বসতঘর, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

বরিশাল জেলা প্রতিনিধি : বরিশাল বানারীপাড়া উপজেলার উত্তরপাড় বাজারে অগ্নিকাণ্ডে পুড়েছে দোকানসহ বসতঘর এঘটনাটি ঘটে আজ শুক্রবার (২১ জুন) সকাল পৌনে সাতটার দিকে।

বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিসের দলনেতা ও ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, উত্তরপাড় বাজারের একটি ফার্মেসি থেকে শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়। টিনের তৈরি পাশাপাশি আটটি দোকান ও একটি বসতঘর মুহূর্তে পুড়ে গেছে। বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

আনোয়ার হোসেন আরো জানান, অগ্নিকাণ্ডে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ১০ কোটি টাকার মালামাল উদ্ধার করেছেনস্থানীয় বাসিন্দা সাইদুল হক জানান, অগ্নিকাণ্ডে সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মজিবর রহমানের পাঁচটি, তার চাচাতো ভাই অধ্যাপক জাকির হোসেনের পাঁচটি ও পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের জাকির হোসেনের মালিকানাধীন একটিসহ মোট ১১টি দোকানের সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

তিনি জানান, উত্তরপাড় বন্দর বাজারের নতুন লঞ্চঘাট রোডে ভাড়াটিয়া মো. শাহাদাতের মহিমা ফার্মেসির পেছনে বিকট শব্দ হয়। স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে আগুন দেখতে পেয়ে ডাক-চিৎকার দেন। প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। বানারীপাড়া উত্তরপাড় ব্রিজসহ রাস্তা সরু হওয়ার কারণে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছতে বিলম্ব হয়। ঘটনার আধা ঘণ্টা পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। আগুনের তীব্রতা বাড়লে পিরোজপুরের স্বরুপকাঠী (নেছারাবাদ) উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিটও তাদের সঙ্গে যোগ দেয়আগুনে তানজিলের গুদামসহ ভাঙারি ও হাড়ি-পাতিলের ছয়টি দোকান, মো. জামালের লেপ-তোশক, তুলা ও ম্যাট্রেসের একটি গুদাম, মো. ইব্রাহিমের চায়ের দোকান, মো. শাহাদাতের ফার্মেসি, মো. বাদশার ভাঙারি দোকান এবং মো. জাকিরের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসহ ১১টি দোকান পুড়ে গেছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার অন্তরা হালদার, পৌর মেয়র সুভাষ চন্দ্র শীল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হুদা তালুকদার ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমিন জাহান পলি।

উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে দশ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।