
আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : ঈদযাত্রায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খুলনামুখী গাড়িগুলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে খুব দ্রুত পদ্মা সেতুর মুন্সিগঞ্জ প্রান্তে পৌঁছালেও সেতুর টোল প্লাজায় গিয়ে তীব্র যানজটে পড়তে হচ্ছে। টোল প্লাজা পার হতে প্রতিটি গাড়িকে ২০ থেকে ৪০ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে তৈরি হয়েছে গাড়ির দীর্ঘ সারি।
সরেজমিনে দেখা যায়, গত কদিনের তুলনায় সোমবার রাত থেকে পদ্মা সেতু অভিমুখী যানবাহনের চাপ বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি চাপ বেড়েছে মোটরসাইকেলের। সকাল থেকে পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। টোল প্লাজায় ৭টি বুথের মাধ্যমে টোল আদায় করা হলেও গাড়ির চাহিদার তুলনায় এটি খুবই সামান্য বলছেন যাত্রীরা। তবে পদ্মা সেতুর টোল প্লাজায় অপেক্ষমাণ যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেলেও মহাসড়কে যানবাহন চলাচল নিবিঘ্ন দেখা গেছে।
খুলনাগামী হানিফ পরিবহনের এক যাত্রী বলেন, ফজরের পর ঢাকা থেকে রওনা হয়েছি। সায়েদাবাদ পার হতে এক যুদ্ধ করতে হয়েছে। এখন আবার পদ্মা সেতুতে এসে আটকে গেছি। ৯টা বেজে গেছে এখনো টোলের জ্যামে আটকে আছি। কখন বাড়ি পৌঁছাবো আল্লাহ জানে।
প্রাইভেটকার চালক আনিসুল ইসলাম বলেন, দ্রুত যেতে আমরা এক্সপ্রেসওয়ের টোল দেই। কিন্তু এত বড় রাস্তা করে সেতুর টোলে এসে স্লো হলে লাভ কি হলো? এত আধুনিক সড়কেও কেন ডিজিটাল টোল আদায় চালু করলো না? অটো টোল আদায় হলেতো এত সময় লাগতো না।
মোটরসাইকেল চালক মাহমুদ আজম বলেন, একই রুটে আসতে একবার মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের টোল দিতে হয়েছে, তারপর এক্সপ্রেসওয়েতে টোল দিতে হয়েছে এখন পদ্মা সেতুতে টোল দিতে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এভাবে প্রতিটি টোল প্লাজায় দেরি হয়েছে, এখানে অতিরিক্ত দেরি হচ্ছে। আমি মনে করি আলাদা আলাদা করে এতগুলো জায়গায় টোল না নিয়ে এক জায়গায় নিয়ে নিলে যাত্রীদের ভোগান্তি কমতো।
পদ্মা সেতু সাইট অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আমিরুল হায়দার চৌধুরী জানান, সোমবার রাত থেকে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। মঙ্গলবার সকাল থেকে যানবাহনের অধিক চাপ থাকায় টোল প্লাজায় কিছু সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকে।
তবে মহাসড়কে এবারের ঈদ যাত্রা নিবিঘ্ন। কোথাও কোনো বিড়ম্বনা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
আপনার মতামত লিখুন :