গৌরনীতে জমে উঠেছে ধারেনর চারা বিক্রির হাট | Daily AjKaler Kontho

গৌরনীতে জমে উঠেছে ধারেনর চারা বিক্রির হাট


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ৩১, ২০২৪, ৭:৪৩ অপরাহ্ন
গৌরনীতে জমে উঠেছে ধারেনর চারা বিক্রির হাট

গৌরনদী প্রতিনিধি : বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলায় জমে উঠেছে ধানের চারা বিক্রির হাট। চলছে বোরো আবাদের মৌসুম। অনেক কৃষকই আবাদ শুরু করেছেন আবার অনেকে শেষ সময়ে চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

এতে জমে উঠেছে ধানের চারা বিক্রির হাট। গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের গ্রামীণ জনপথ বাকাই বাজার হাটে ধানের চারা বিক্রি করতে এসেছেন বিক্রেতা ও ক্রেয়করতে এসেছেন ক্রেতা। হাটে আসা নুর গাজী জানান বিভিন্ন রোগ-বালাইয়ের কারণে অনেক বীজতলা নষ্ট হয়ে যায়। তাই চাষিদের ভরসা করতে হচ্ছে চারা বিক্রির হাটের ওপর। হাট থেকে চারা কিনে জমিতে রোপণ করছেন অনেকে।হাটে আসা বিক্রেতা ৫০ বছর বয়সী তাহের বেপারি ২০ শতাংশ জমিতে ধানের চার রোপন করেনছেন। বীজ তলা থেকে যে বীজ তুলেছেন ২০ শতাংশ জমিতে রোপনের পর তিন শত মুট চারা বীজ বিক্রি করতে নিয়ে আসছেন। এই সপ্তাহীক হাটে চারা বীজ বিক্রি করেন প্রতি মুট একশত মুট পাঁচ শত টাকা।

বিক্রেতার দের সাথে কথা বলে জানা গেছে যে সব রাচা বীজ বিক্রি হচ্ছে এর মধ্যে রয়েছে উফশী, ইব্রিড, ভোজন, কাজলা, ২৯ জাতের ধানের চারা। হাট ইজারাদার কুদ্দুস ফকির জানান ঘোসের হাট বাজারে প্রতি হাটে ৬০ থেকে ৮০ হাজার টাকার চারা বিক্রি হয় এই হাটে।

উপজেলায় সব চেয়ে বড় হাট বসে মাহীলাড়া, বাটাজোরসহ কয়েকটি বোরো ধানের চারা বিক্রির হাট আছে। সেখান থেকে চাষিরা চারা কিনে নিয়ে জমিতে রোপণ করছেন। কোন কোন হাটে চারা বিক্রি হয় পোন হিসেবে। এক পোন চারার দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। আর প্রতি বস্তা চারার জন্য খাজনা দিতে হয় ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

বোরো আবাদের জন্য মাহীলাড়া হাটে চারা কিনতে আসা মো. ইমু মাহমুদ বলেন, আমাদের যে চারা ছিল তা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় হাট থেকে চারা কিনতে হচ্ছে। শতক জমি রোপণের জন্য চারা কিনতে আসছি। মো. হাবিবুর রহমান বলেন, চারা কিনতে চেয়েছিলাম কিন্তু দাম বেশি থাকায় এ বছর ধানের চারা রোপণ করবো না।

চারা বিক্রেতা মো. আবির বলেন, আমার জমিতে বেশি বীজতলা তৈরি করা হয়েছিল। আমার চারা লাগানো হয়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত চারা বিক্রি করে দিচ্ছি।গৌরনদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সেকেন্দার শেখ বলেন, উপজেলায় এ বছর লক্ষ্যমাত্র ছিল ১ হাজার ৫৮৫ হেক্টর। এখন পর্যন্ত বোরো আবাদ হয়েছে ১ হাজার ৭৯৫ হেক্টর জমিতে।