কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত তিস্তাপাড়ের মানুষ | Daily AjKaler Kontho

কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত তিস্তাপাড়ের মানুষ


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ১৫, ২০২৪, ৪:৫৮ অপরাহ্ন
কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত তিস্তাপাড়ের মানুষ

আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : পৌষ মাসের শেষে ঘন কুয়াশার সাথে হিমেল হাওয়া আর কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে উপজেলার ভোটমারী,কাশীরাম,বৈরাতী,কাকিনার তিস্তাপারের মানুষের জনজীবন জনজীবন। শীতের তীব্রতায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। ঠান্ডাজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে গেছে। ঠান্ডা থেকে বাঁচতে নিজেকে গৃহবন্দি করে রাখছেন অনেকেই।

প্রায় এক সপ্তাহ যাবত কালীগঞ্জ উপজেলায় এরূপ অবস্থা বিরাজ করেছে।

কুয়াশার সাদা চাদরে ঢাকা থাকছে চারিদিক। বিকেল হলেই পড়তে শুরু করে কুয়াশা। রাত বাড়ার সাথে সাথে কুয়াশার মাত্রা বাড়তে থাকে আর তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ে। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে চালাতে হচ্ছে যানবাহন।

ঠান্ডার কারণে দুর্ভোগ বেড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষসহ ছিন্নমূল ও চরাঞ্চলের মানুষের। ঠান্ডার কবল থেকে বাঁচতে তারা ভিড় করছেন ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানে। যাদের সামর্থ্য নেই তারা খরকুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

রিক্সা চালক ফজিয়ার রহমান জানান, ঠান্ডার কারণে মানুষ ঘর থেকে বের না হওয়ার কারণে যাত্রীর সংখ্যা কমে গেছে। আমাদের আয়ও অনেক কমে গেছে। যা আয় হচ্ছে তা দিয়ে কোনমতে দিনাতিপাত করছি।

চা বিক্রেতা জাহিদ হাসান জানান, ঠান্ডার কারণে সন্ধ্যায় দোকানে আগের মত এখন খরিদ্দার আসে না। ফলে দোকানে বেচা-বিক্রি আগের তুলানা অনেক কম হচ্ছে। প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে কৃষকেরা জমিতে ধানের চারা রোপণ করতে করতে পারছেন না।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহির ইমাম জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন পর্যায়ে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং তা চলমান রয়েছে। তবে চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায়, তীব্র শীতের এ সময়ে অবস্থাসম্পন্ন ব্যক্তিগণ বা সংস্থা শীতবস্ত্র বিতরণে এগিয়ে আসতে পারেন।