
নড়াইল প্রতিনিধিঃনড়াইলের লোহাগড়ায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথাযথ মর্যাদায় ৫২ তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শহীদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়েছে।
শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সকাল ৭টায় লোহাগড়া উপজেলা চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান উপজেলা প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কলেজ, স্কুল, মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা, বিভিন্ন পেশাজীবি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সামাজিক সংগঠনসহ গণমাধ্যম কর্মীরা।
এদিকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সকাল ৮টায় উপজেলার শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে বিভিন্ন উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শন করেন। এরপর প্রতিযোগি বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সিকদার আঃ হান্নান রুনু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিমেষ বিশ্বাস, লোহাগড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র সৈয়দ মশিয়ূর রহমান,সহকারী কমিশনার (ভুমি) আরেফিন জাহান, লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাঞ্চন কুমার রায়, ওসি তদন্ত আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ, উপজেলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হামিদ ভূইয়া, লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম হায়াতুজ্জামান, উপজেলা আ.মীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাসুদুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবলীগের অন্যতম সদস্য শেখ সদর উদ্দিন শামীম, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান বি.এম. কামাল হোসেন, ভাইস-চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমিন ইতিসহ উপস্থিত ছিলেন উপজেলার অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধাগণ ও সরকারি অধিদপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান সিকদার আঃ হান্নান রুনু ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিমেষ বিশ্বাস উপজেলার জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সাথে কুশল বিনিময় ও ফুল দিয়ে বরণ করেন। এরপর সকলে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ পরিদর্শন, স্বাধীনতার বিভিন্ন ডিসপ্লে ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। এ সময় শত শত মানুষ এই অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
১৯৭১ সালে এই দিনে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বিজয়ের গৌরব অর্জন করেন। বাঙালী জাতি পেয়ে ছিলো লাল সবুজের পতাকা। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময় ও হাজারো মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে জাতি একটি মানচিত্র পেয়েছিল যার নাম লাল-সবুজের বাংলাদেশ। সেই থেকে দেশের সর্বস্তরে প্রতিবছর রাষ্টীয় মর্যাদায় ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালন করা হয়।
আপনার মতামত লিখুন :