নিজস্ব প্রতিবেদক : চান্দ্র তারিখে বিভ্রান্তি, চান্দ্র মাসের সঠিক তারিখের সাথে মুসলমানদের গুরুত্বপূর্ণ অনেক ফরজ, ওয়াজিব এবং হারাম বিষয় অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে। যেমন- রমাদ্বান মাস শুরু করা, রমাদ্বান মাস শেষ করা, লাইলাতুল ক্বদর, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা, তাকবীরে তাশরীক্ব, আশুরা, শবে বরাত ইত্যাদির সঠিক তারিখ নির্ণয় করে সে অনুযায়ী ইবাদাত সমূহ পালন করতে হয়। চান্দ্র মাস শুরুর তারিখের হেরফেরের কারণে
উপরোক্ত কিছু কিছু ইবাদাতে ফরজ, ওয়াজিব ছুটে যায়,আবার কিছু কিছু হারামে পতিত হয়।
যেমন
পবিত্র রমাদ্বানের শুরুতে একদিনের ফরয রোযা ছেড়ে দেয়া হারাম।
দুই ঈদের সালাত একদিন পর আদায় করে ওয়াজিব আমল বর্জনের গুণাহ।
একদিন পর তাকবীরে তাশরীক শুরু করে ওয়াজিব আমল (পরিত্যাগ) বর্জনের গুণাহ।
ঈদুল ফিতরের দিন রোজা রাখা হারাম।
আরাফার দিনের নফল রোযা কোরবানীর দিনে রাখা হারাম।
শরীয়ত নির্দেশিত সঠিক দিনে চান্দ্রমাস শুরু না করার কারণে যে কোন দেশ উপরোক্ত সমস্যাগুলোর
সম্মুখিন হবে।
পৃথিবীর ভ’ প্রকৃতির কারণে চান্দ্র মাসের প্রথম তারিখ পূর্ব সন্ধ্যায় সমগ্র পৃথিবীতে নতুন চাঁদ দৃশ্যমান না হয়ে ১ম দিন প্রাচ্যের পশ্চিমাঞ্চলীয় দেশ সমূহে “হিলাল বা নতুন চাঁদ” এবং পরের দিন পূর্বাঞ্চলীয় দেশ সমূহে ২য় দিনের “ক্বমার” বা পুরাতন চাঁদ দৃশ্যমান হয়। নতুন চাঁদ দৃশ্যমান
হওয়ার এ ভিন্নতার বিষয়ে ইসলাম ও বিজ্ঞান সম্পূর্ণ একমত। নতুন চাঁদ দৃশ্যমান হওয়ার ভিন্নতা ইসলামী শরীয়তে গৃহীত না হয়ে সর্বপ্রথম নতুন চাঁদ দৃশ্যমান হওয়ার ভিত্তিতে সমগ্র পৃথিবীতে বিশ্বজনীন (টহরাবৎংধষ) একক চান্দ্র মাস গণনা করতে হবে।
চান্দ্র তারিখ নিয়ে পবিত্র কোরআন মাজীদ কি বলছে ?
আমরা প্রথমেই নজর দিব পবিত্র কোরআন মাজীদ এর দিকে। গভীর ভাবে লক্ষ্য করবো, এ বিষয়
পবিত্র কোরআন কি বলছে :
“(হে রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানুষেরা আপনাকে নতুন চাঁদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে, আপনি বলে দিন উহা (১২ মাসের ১২টি নতুন চাঁদ) মানুষের এবং হজ্বের সময় নির্ধারক” (সূরা- আল বাক্বারাহ : ১৮৯)
এ আয়াতের অর্থ হচ্ছে নতুন চাঁদ সারা বিশ্বের সকল মানুষের জন্য মাসের প্রারম্ভ নির্ধারক।
অতএব নতুন চাঁদের নির্দেশিত এ নতুন মাসের ১ম তারিখ দেশ-মহাদেশের ভিন্নতায় কখনোই আলাদা হবে না। কারণ নতুন চাঁদ উদয়ের দিনে সকল দেশের সকল মানুষ অন্তর্ভুক্ত থাকেন। শুধু মুসলিমদের জন্যই নয়। কার উপর রমযানের রোযা রাখা ফরজ তা জানিয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেছেন-
“তোমাদের মধ্যে যারা এ (পবিত্র রমাদ্বান) মাসটি পাবে তারা যেন এ মাসে অবশ্যই রোযা রাখে”
(সূরা- আল বাক্বারাহ : ১৮৫) অত্র আয়াতের মাধ্যমে রমাদ্বান মাসের রোযা ফরয করা হয়েছে। অর্থাৎ যে ব্যক্তি রোযা রাখার সামর্থ্য সহকারে পবিত্র রমাদ্বান মাসে উপস্থিত হবে তার জন্যই রমাদ্বানের রোযা ফরয।
লক্ষ্যণীয় যে মহাবিজ্ঞ আল্লাহ তাআলা রোযা ফরয হওয়ার কারণ নির্ধারণ করেছেন মাসের উপস্থিতিকে। আর মাসের উপস্থিতি প্রমাণিত হয় নতুন চাঁদ উদয়ের মাধ্যমে। অর্থাৎ পৃথিবীর আকাশে কোথাও চাঁদ দেখা গেলেই সমগ্র পৃথিবীতে মাসের উপস্থিতি প্রমাণিত হবে। আর মাসের উপস্থিতি প্রমাণিত হলে সকল মুসলিমের উপর ঐদিন থেকেই রোযা রাখা ফরয হবে। সর্বোপরি নিচের আয়াতে কারীমা বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয় – “ নিশ্চয়ই তোমাদের এ উম্মাত এক উম্মাত, আর আমিই তোমাদের রব। অতএব তোমরা আমার ইবাদাত কর। ” (সূরা- আম্বিয়া : ৯২)
অত্র আয়াতে কারীমা থেকে আমরা এক উম্মাহ, এক আল্লাহর এক ও অভিন্ন ইবাদাত করার নির্দেশনা পেয়ে থাকি।
অতএব পবিত্র কোরআনের উপরোক্ত আয়াত সমূহের আলোকে অবশ্যই বলা যায় যে, নতুন চাঁদ উদয়স্থলের ভিন্নতা গ্রহণীয় নয়।
চান্দ্র তারিখ নিয়ে আল হাদীস কি বলছে :
চাঁদ দেখার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে গুরুত্বপূর্ণ যে দু’খানা হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তা হচ্ছে-
এক: রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- “তোমরা নতুন চাঁদ না দেখে রোযা রাখবে না এবং নতুন চাঁদ না দেখে রোযা ছাড়বে না” (বুখারী শরীফ) দুই: রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আল্লাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন -“চাঁদ দেখার ভিত্তিতে তোমরা রোযা রাখ এবং চাঁদ দেখার ভিত্তিতে তোমরা রোযা ছাড়, ঈদ করো, ” (মুসলিম শরীফ)।
যে সকল ফকীহ ও আলেম সমগ্র বিশ্বে একক চান্দ্র তারিখ,একই দিনে রোযা,ঈদ ও কোরবান ইত্যাদি পালন করার পক্ষে ফাতওয়া দিয়েছেন তারা নিজেদের মতের সমর্থনে অত্র হাদীস দু’খানাকে দলীল হিসেবে পেশ করেছেন। তাদের যুক্তি হল হাদীস দু’খানিতে “তোমরা” বলে সম্বোধন দেশ মহাদেশের সীমানা পেরিয়ে সমগ্র উম্মাহর জন্য ব্যাপক অর্থরোধক সম্বোধন।
আবার কিছু সংখ্যক ফকীহ ও আলেম দেশ ও এলাকার ভিন্নতায় ভিন্ন ভিন্ন দিনে আমলের ফাতওয়া দিয়েছেন তাদের যুক্ত হল পবিত্র হাদীস দু’খানিতে “তোমরা” বলতে দেশ ও এলাকা বিশেষ সীমিত অর্থে সম্বোধন। তাদের এ যুক্তির শরয়ী বা হাদীস বা আরবী ব্যাকরণ ভিত্তিকে কোন দলীল নেই। বরং যোগাযোগ ব্যবস্থার সমস্যাকে সামনে রেখে তারা এ যুক্তি দিয়েছেন। বর্তমান উন্নত তড়িৎ যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে এ যুক্তির কোন সুযোগ নেই। সর্বোপরি আমরা কোরআন মজীদ এর সূরা আম্বিয়ার ৯২ নং আয়াত পুনরায় স্বরণ করতে পারি- “ নিশ্চয়ই তোমাদের এ উম্মাত এক উম্মাত, আর আমিই তোমাদের রব। অতএব তোমরা আমার ইবাদাত কর। ”
ফকীহ গণের এ উভয় শ্রেণির কাদের যুক্তি অধিক শক্তিশালী বাস্তব সম্মত ও গ্রহণযোগ্য আমরা সে আলোচনায় না গিয়ে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিজের আমলের দিকে দৃষ্টি দিব। রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেভাবে আমল করেছেন, উম্মতের জন্য সেভাবেই আমল করা জরুরী।
রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিজ আমল :
রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পবিত্র হায়াতে ২য় হিজরী থেকে ১০ম হিজরী পর্যন্ত মোট ৯ বার পবিত্র রমাদ্বান মাসের রোযা রাখার সুযোগ পেয়েছিলেন। রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে কিভাবে আমল করেছেন এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীস শরীফে যে প্রমাণ পাওয়া যায়, তা হচ্ছে-
“হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন কিছু সংখ্যক মানুষ রমাদানের) নতুন চাঁদ দেখল। আমি রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সংবাদ দিলাম যে আমিও উক্ত চাঁদ দেখেছি। ফলে রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে রোযা রাখলেন এবং মানুষকের রোযা রাখতে নির্দেশ দিলেন”। (সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং- ২৩৪৪) অন্য হাদীসে আছে-
“আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন- এক মরুচারি মহানবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট এসে বললেন, আমি রমাদ্বানের নতুন চাঁদ দেখেছি। তখন রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি “আল্লাহ ছাড়া কোনো ইল্লাহ্ধসঢ়; নেই” একথা সাক্ষ্য দান কর? তিনি বললেন হ্যাঁ, রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, “মুহাম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসুল” তুমি কি একথা সাক্ষ্য দান কর? সে বলল- হ্যাঁ। রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আদেশ দিলেন, হে বেলাল মানুষকে জানিয়ে দাও তারা যেন আগামী দিন রোযা রাখে।” (তিরমিযি- ৬৯১) অন্য হাদীসে আছে- “হযরত আবু উমাইর ইবনু আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট একদল আরোহী আসল এবং তারা সাক্ষ্য দিল যে তারা গতকাল (শাওয়ালের) চাঁদ দেখেছে। ফলে রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষকে রোযা ছাড়ার আদেশ দিলেন। পরের দিন প্রভাতে সকলে ঈদগাহে সমবেত হলেন (আবু দাউদ- ২৩৪২, মিশকাত পৃষ্ঠা-১২৭) অত্র হাদীসের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে “তারা ঈদের নামাযের জন্য ঈদগাহে সমবেত হল। আল্লামা মাযহার বলেন যে, ঐ বছর মদীনা শরীফে ২৯ রমাদ্বান দিবাগত রাতে শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায় নি। ফলে মদীনাবাসী ৩০ রমাদ্বানের রোযা রেখেছিলেন। এমতাবস্থায় ঐ দিন দ্বিপ্রহরে ঐ ছাওয়ারী দল আসল এবং সাক্ষ্য দিল যে, নিশ্চয়ই তারা ২৯ তারিখ দিবাগত রাতে নতুন চাঁদ দেখেছে। অত:পর, রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের এ সংবাদ গ্রহণ করে সকলকে রোযা ভঙ্গের নির্দেশ দিলেন এবং ঐদিন ঈদের সালাতের ওয়াক্ত না থাকায় পরের দিন (২য় শাওয়াল) ঈদের নামায পড়ার নির্দেশ দিলেন। বর্ণিত হাদীস খানা থেকে প্রমাণ পাওয়া যায়, মহানবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নতুন চাঁদ উদয়ের প্রায় ১৮ ঘন্টা পরে উক্ত চাঁদ দেখার সংবাদ গ্রহণ করে, ৩০ রমাদ্বান মনে করে রাখা রোযা ছেড়ে দিয়েছেন। অথচ বর্তমানে কতিপয় মুফতিগণ নতুন চাঁদ দৃশ্যমান হওয়ার কয়েক মূহুর্তের মধ্যে প্রাপ্ত সংবাদ গ্রহণ করতে নারাজ। তাই স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে তারা মূলত কার আদর্শের অনুসারী!
চান্দ্র তারিখ নিয়ে চার মাযহাব কি বলছে :
চার মাযহাবের মধ্যে ইমাম আবু হানিফা (র:) সহ তিন ইমামই বলেছেন, “দেশের সীমানা চাঁদ দেখার জন্য শর্ত নয়। তাঁরা এমনও বলেছেন যে, পৃথিবীর পশ্চিম প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে পূর্ব প্রান্তে রোযা রাখা ওয়াজিব। (সূত্র :- ড: আ: আল মারুক এর আল হেলাল- ১৯৮৮, পৃষ্ঠা- ২, ৩, ৪, ৫,৬)
৪র্থ ইমাম শাফেয়ী (র:) এটা সমর্থন করেছেন। তারপরও বলেছেন- “তবে এলাকার ভিত্তিতেও দেখা যায়। ” (সূত্র :- ড: আ: আল মারূফ এর আল হেলাল- ১৯৮৮, পৃষ্ঠা- ৫, ৬)
কিছু কমন প্রশ্ন ও জবাব :
বন্ধু বান্ধব সহ পরিচিত অনেকে আমাকে প্রশ্ন করেন সৌদি আরবের সাথে তো আমাদের ৩ ঘন্টা পার্থক্য। তাহলে আপনারা ৩ ঘন্টা পরে নামাজ পড়ছেন না কেন? সাহরী-ইফতার- ৩ ঘন্টা পরে করছেন না কেন?
তাদের উদ্দেশ্যে আমরা বিনীত জবাব একটু ভেবে চিন্তে বলুন আপনারা শুক্রবার জুমার নামাজ সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিলিয়ে কি একই দিনে ৩ ঘন্টা পূর্বে আদায় করছেন? শুক্রবারের জুমার নামাজ যদি ৩ ঘন্টা পূর্বে আদায় করতে পারেন! তাহলে রোযা পালন করতে আপনাদের সমস্যা কোথায়? রোযা রাখার ক্ষেত্রে কেন তা ২/৩ দিন তারতম্য হবে? শবে বরাত বা শবে ক্বদর কি পর পর ২/৩ রাত? ঈদ বা আশুরা কি পর পর ২/৩ দিন? জান্নাত জাহান্নামের দরজা কি ২/৩ দিনে খুলবে/বন্ধ করবে? আমরা জানি ১০ মহররম পবিত্র আশুরার দিন শুক্রবার পৃথিবী ধ্বংস হবে। আপনাদের মতে রোযার মত আমরা সেখানেও কি প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য ২/৩ দিন সময় পাব?
ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী চূড়ান্ত ফাতওয়া :
পবিত্র কোরআন, সুন্নাহ, ইজমা,কিয়াস,ওআইসি এর ফিকহ একাডেমির সিদ্ধান্ত এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী চূড়ান্ত ফাতওয়া হল- “পৃথিবীর যে কোন স্থানে নতুন চাঁদ উদয় প্রমাণিত হবে এবং গ্রহণযোগ্য পন্থায় উক্ত নতুন চাঁদ উদয়ের সংবাদ যতদূর পর্যন্ত পৌঁছাবে
ততদূর পর্যন্ত মাসের অস্তিত্ব সাব্যস্ত হবে এবং সকল মুসলিমের ওপর ঐ দিন থেকে ঐ মাস কেন্দ্রিক যাবতীয় আমল একই দিনে, একই চান্দ্র তারিখে ফরয হবে।”
মহান আল্লাহ্ধসঢ়; আমাদের সকলকে বুঝার এবং সে অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন।
লেখক, শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট, মোহাম্মদ নুরুল আমিন
আজকালের কন্ঠ /মিজান
আপনার মতামত লিখুন :