আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : দিনাজপুরসহ দেশের উত্তর জনপদে হঠাৎ করেই নেমে এসেছে তাপমাত্রা মাপন যন্ত্রের পারদ। ফলে অনুভূত হচ্ছে তীব্র শীত।
একদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরে তাপমাত্রা ৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে নেমে এসেছে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আর পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৩ ডিগ্রি কমে নেমে এসেছে ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এটিই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, দিনাজপুরে গত মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু একদিনের ব্যবধানে বুধবার এই তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রহিদুল ইসলাম জানান, তেঁতুলিয়ায় মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
দিনের বেলা সূর্য দেখা গেলেও বিকাল থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ আর হিমেল বাতাসে অনুভূত হচ্ছে কনকনে শীত। তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এই অঞ্চলের মানুষের জনজীবন। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষ। খেটে খাওয়া নিম্নআয়ের মানুষ পড়েছে বিপাকে।
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার রিকশাভ্যান চালক আবদুল মান্নান জানান, তীব্র শীত উপেক্ষা করে পেটের তাগিদে রিকশাভ্যান নিয়ে বের হলেও যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। শীতের কারণে মানুষ ঘর থেকে কম বের হওয়ায় যাত্রী না পেয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হচ্ছে তাদের। এই অবস্থায় কীভাবে সংসারের প্রয়োজন মেটাবেন তিনি।
দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল আলম জানান, দিনাজপুরের অসহায় ও দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
আজকালের কন্ঠ /এমএম