আলমগীর হোসেন : সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের শুভ উদ্বোধন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয় ।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক, এমপি, মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ ইকবাল হোসেন এমপি, মাননীয় সাংসদ সদস্য, শরীয়তপুর -১। নাহিম রাজ্জাক এমপি, মাননীয় সাংসদ সদস্য, শরীয়তপুর – ৩।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, মোঃ সাইফুল হক, পুলিশ সুপার, শরীয়তপুর ।অনল কুমার দে সাধারণ সম্পাদক, শরীয়তপুর জেলা আওয়ামীলীগ। আবুল হোসেন তপাদার, চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ শরীয়তপুর সদর । সভাপতি মো. পারভেজ হাসান, জেলা প্রশাসক, শরীয়তপুর।
এসময় মন্ত্রী, আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক এমপি বলেন, যার জম্ম না হলে বাংলাদেশ সৃষ্টি হতোনা ।বঙ্গবন্ধু মাত্র ৩৪ বছর বয়সে মন্ত্রী হন এ দেশ স্বাধীন করেন ।তিনি জাতিসংঘে প্রথম বাংলায় ভাষন দেন। আমরা পাকিস্তানের অধিনে দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে রাজত্বে ছিলাম। মির্জা ফখরুল বলেছেন পাকিস্তানের আমলে নাকি তারা ভাল ছিল। বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন পদ্ধা সেতু জোরা তালি দিয়ে বানাইতেছে। বেগম খালেদা জিয়া এতিমের টাকা আত্মসাৎ করেছেন তারাতো বলবেই পাকিস্তান আমলে তারা ভাল ছিল । ৭১ হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরাকবার। মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র জমা দিয়েছেন কিন্তু তাদের হাতিয়ার জমা দেয়নি। আমাদের সংবিধান সে অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। আমাদের সরকার কি করতে চায় মুক্তিযোদ্ধাদের,একটা প্রকল্প দিতে চায়। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আবাসন ব্যবস্থা করা হবে এবং প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধাদের কবর এমন ভাবে করা হবে যাতে একশত বছর পরও বলতে পারে এটা মুক্তিযোদ্ধাদের কবর। রাজাকারদের তালিকা চাওয়ায় মন্ত্রী বলেন খুব শীঘ্যই পাবলিষ হবে।
নাহিম রাজ্জাক এমপি বলেন, শরীয়তপুরের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ প্রচার না করে, অনেকে ফেসবুকের মাধ্যমে না বুজে বিভিন্ন ভাবে অপ প্রচার চালায় তারা ভাল কাজের প্রচার করেনা৷ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কারনেই পদ্মা সেতু হয়েছে, পদ্মা সেতু হওয়ার কারণে শরীয়তপুর জেলা একটা আধুনিক জেলা হিসাবে রুপান্তর হয়েছে। শরীয়তপুর জেলার রুপকার, সাবেক পানি সম্পৎ মন্ত্রী মরহুম আঃ রাজ্জাক এর অনেক অবদান রয়েছে ।
ইকবাল হোসেন এমপি বলেন – এই মুক্তিযোদ্ধাদের কারনেই আমরা এমপি ও মন্ত্রী এবং বঙ্গবন্ধুর জম্ম না হলে এই বাংলাদেশ হতোনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা প্রদান করেন ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালক মোঃ আঃ হাকিম, নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শাজাহান ফরাজি, শরীয়তপুর । সদর উপজেলা ইন্জিনিয়ারি মোঃ আব্দুস সাত্তার। উপ-সহকারী প্রকৌশলী – মোঃ জামাল উদ্দিন শিকদার, শরীয়তপুর সদর উপজেলা। উপ-সহকারী গোবিন্দ চক্রবর্তী – শরীয়তপুর সদর উপজেলা। বীর মুক্তিযোদ্ধা সদর উপজেলা – আঃ আজিজ শিকদার। জেলা মুক্তিযোদ্ধাদের কমান্ডার, ভারপ্রাপ্তের দায়িত্বে – আঃ আজিজ সরদার। কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ মাওলানা – আনোয়ার শাহ।
আজকালের কন্ঠ /রাকিব
আপনার মতামত লিখুন :