ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তজেলা ডাকাত দলের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার | Daily AjKaler Kontho

ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তজেলা ডাকাত দলের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার


মোঃ রিজভী আহম্মেদ রিজোয়ান, নওগাঁ প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ২:৪৪ অপরাহ্ন
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তজেলা ডাকাত দলের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

নওগাঁয় সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তজেলা ডাকাত দলের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ট্রাক, মোটরসাইকেলসহ ডাকাতির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর মডেল থানা চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।

এর আগে সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে সদর উপজেলার সান্তাহার-নাটোর আঞ্চলিক সড়কের সাহাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলার আবাদপুর গ্রামের খোরশেদ মন্ডলের ছেলে আজাহার আলী (৪৫), আক্কেলপুর উপজেলার মোহাম্মদপুর প্যারাহাটি গ্রামের জামাল মন্ডলের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪৪), সাইদুর রহমানের ছেলে সৈকত (৩০), নাসির উদ্দিনের ছেলে আবু হোসেন (৩৫), মৃত খোরশেদ মন্ডলের ছেলে মো. হাসান (৩০), বগুড়ার গাবতলী উপজেলার লাংলু দক্ষিণপাড়া গ্রামের আনারুল হকের ছেলে মো. রনি ও একই গ্রামের মন্তেজারের ছেলে হামিদুল ইসলাম (৩২)।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, সোমবার দিবাগত রাতে পুলিশের একটি টহল দল সান্তাহার ঢাকা মোড় এলাকায় ডিউটি করে। ওই সময়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে ১০-১২ জন সাহাপুর এলাকায় গরুর ট্রাকসহ অন্যান্য মালবাহী যানবাহন ডাকাতি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি সদর থানা ওসিকে জানায়। পরে থানা থেকে ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ সদস্যরা তাদের ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অন্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশনহীন ১টি ট্রাক, ১টি পালসার মোটরসাইকেল, একটি ভ্যান, ৩টি শাবল, ২টি ধারালো হাঁসুয়া, ১টি হ্যাসকোব্লেড, ১টি সুতার তৈরি বেল্ট, ২টি বড় টর্চলাইট এবং ৮টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বগুড়া, জয়পুরহাটসহ এই অঞ্চলে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। এ ছাড়া তারা মাটির গভীরে বিটিসিএলের ইন্টারনেটের তার চুরির কাজে জড়িত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সকলই নতুনভাবে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেছে। জেলা পুলিশ সড়কে ডাকাতি রোধ এবং জানমালের নিরাপত্তা দিতে সব সময়ের জন্য তৎপর রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মনিরুল ইসলাম, সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) প্রদীপ ব্যানার্জিসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন।

আজকালের কন্ঠ/আর বি