
নড়াইলের লোহাগড়ায় গুলাগুলির গুজব, গুজব ছড়ানো ব্যাক্তিদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবী এলাকাবাসীর। নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার মোচড়া এলাকায় সরকার অনুমোদিত প্রাইড এগ্রো বিডি একটি কৃষি প্রকল্পকে ঘিরে ১৫ ও ১৬ এপ্রিলের ঘটনাপ্রবাহ নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খামারের কর্মচারী মন্টু মিয়া হঠাৎ প্রকল্প থেকে চলে যান। যাওয়ার সময় তিনি প্রকল্পের পাশে বসবাসকারী আলমগীরের স্ত্রীকে বলে, তার ব্যাবহারিত সকল মালামাল নিয়ে চলে যান বলে জানাগেছে।
একই দিন রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে প্রকল্পের ভেতরে (কৃষি এলাকায়) অজ্ঞাত কিছু লোকের আনাগোনা দেখতে পান ফার্মের পাশে বসবাসকারী আলমগীরের স্ত্রী। এঘটনা আলমগীরের স্ত্রী এগ্রো ফার্মের মালিক রফিকুল ইসলামকে জানান।
এরপর বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে মোচড়া এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে মন্টু মিয়াকে আটকে রেখে মারধর করা হচ্ছে এবং সেখানে গুলাগুলি হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা সরেজমিন ঘুরে ঘটনার কোনো প্রমাণ পাই নাই।
পরে মন্টু মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে তিনি নিজ ইচ্ছায় বাড়িতে অবস্থান করছেন; তাকে আটকে রাখা ও মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কর্মচারীর প্রস্থান, রাতের অস্বাভাবিক তৎপরতা এবং পরদিন গোলাগুলি গুজব—সব মিলিয়ে একটি অশুভ ঘটনার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।
ওই গ্রামের সমাজপতি (মাতুব্বর) কলম মিয়া সহ অনেকে বলেন বলেন দীর্ঘদিন ধরেএই নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তবে বৃহস্পতিবার দুপুরে কোন গোলাগুলি ঘটনা এই গ্রামে ঘটে নাই।
বিষয়টি নিয়ে এগ্রো ফার্মের মালিক মো. রফিকুল ইসলাম গোলাগুলি বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে গুজব ছড়ানো ব্যাক্তিকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানান।
লোহাগড়া থানার ইনস্পেকটর (ওসি তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন বৃহস্পতিবার দুপুরে মোচড়া এলাকায় গোলাগুলি কোন ঘটনা ঘটে নাই। এটি নিছক গুজব। এমন ঘটনা ঘটলে আমরা অবশ্যই জানবো।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :