
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ( চাকসু) ভিপি মোঃ ইব্রাহীম হোসেন রনি বলেছেন, যেই খুনি হাসিনা ২০০৮ সালে ২৮শে অক্টোবর ঢাকার পল্টনে জামায়াতের ইসলামী সহ চার দলীয় জোটের উপর আক্রমণ করে লগি বৈঠা দিয়ে এদেশের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের উপর খুন করে হত্যা করে । ২০০৬ সালের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তারা ক্ষমতায় এসেছিল। দীর্ঘ ১৫ বছর নির্যাতন নিষ্পেষণ ঘুম হত্যা খুনের যে রাজত্ব কায়েম করেছিল । ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ৩৬ শে জুলাই এক গণ বিপ্লবের মাধ্যমে আপনি হাসিনার পতন হয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, এই খুনি হাসিনা যখন শিক্ষিতরা বলল আমরা বৈষম্যহীন রাষ্ট্র চাই আমরা আমাদের চাকরির অধিকার চাই, চাকরির অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে আমার বাবা কৃষক , এর মানে আমি কিছু করতে হবে এমন তো নয়। আমি বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা করি আমি মেডিকেল পড়ি, আমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি। আমি চাই আমার বাবার কষ্ট লাঘব করতে চাই । এই বিসিএস এ কোন কটা থাকা যাবে না। আমরা সেদিন রাজপথে আওয়াজ তুলে ছিলাম এই বিসিএস কোন কোটা থাকবে না। সরকারি চাকরিতে সবাইকে সমান অধিকার দিতে হবে।
কিন্তু খুনি হাসিনা সেদিন রংপুরের আবু সাঈদের বুকে তার পেটুয়া পুলিশ বাহিনী একের পর এক গুলি করে শহীদ করা হয়েছিল আবু সাঈদকে আমরা সারা বাংলাদেশ সেদিন বেদনা বিধুর এবং কান্নায় ভেঙে পড়েছিল। সেদিন মীর মুগ্ধ তার বন্ধু তার আন্দোলন ছিল পানি লাগবে পানি দিতে চাই সেদিন বীর মুগ্ধ কে শহীদ করা হয়েছিল।
আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে নাটোরে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড প্রেসক্লাবের সামনে নাটোরে সর্বস্তুরের ছাত্র জনতার ব্যানারে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রনি এসব কথা বলেন। নাটোর স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি জাহিদ হাসানের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জেলা আমির অধ্যাপক ড. মীর নুরুল ইসলাম ও প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জামায়াত মনোনীত নাটোর সদর -২ আসনে এমপি প্রার্থী অধ্যাপক ইউনুস আলী, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক সাদেকুর রহমান, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও সহকারী সেক্রেটারি আতিকুল ইসলাম রাসেল সহ নেতৃবৃন্দ।
আজকালের কন্ঠ/আর এস/আর
আপনার মতামত লিখুন :