
কুমিল্লা দেবিদ্বারে পুলিশ সদস্যকে আটকে রেখে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা বিল্লাল হোসেন বিল্লু ও জালাল উদ্দিনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২০ অক্টোবর) ভোরে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও দেবিদ্বার থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ঢাকার আদাবর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার বিল্লাল হোসেন বিল্লু দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা। অপর আসামি জালাল উদ্দিন চাঁপানগর গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১ অক্টোবর পুলিশ সদস্য আবু কাউসার তার চাচি আমেনা বেগমের সঙ্গে জমি দেখতে যান দেবিদ্বারের ছোট আলমপুর এলাকায়। জমি পছন্দ হলে তাকে কৌশলে পাশের একটি মাদ্রাসা ভবনের পঞ্চম তলায় নিয়ে গিয়ে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়।
এরপর কাউসারের সাবেক স্ত্রী তাছলিমা আক্তার, চাচি আমেনা বেগম, স্থানীয় যুবক হেলাল, কামাল, বিল্লু ও জালাল মিলে তাকে মারধর করে এবং দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। কাউসার বিকাশে ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও বাকি দেড় লাখ টাকা না দেওয়া পর্যন্ত প্রায় তিন ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতন চালানো হয়। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার চার দিন পর, ৪ অক্টোবর পুলিশ সদস্যের দ্বিতীয় স্ত্রী ইশরাত জাহান বাদী হয়ে দেবিদ্বার থানায় সাতজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার অভিযুক্তদের মধ্যে বিল্লু ও জালালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতে হাজির করলে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দেবিদ্বার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাইনউদ্দিন বলেন, “পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :