
বিশেষ প্রতিনিধি : সম্প্রতি একটি কুচক্রী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দাবি করেছে যে, “মোহাম্মদপুরে পথশিশুদের স্কুলের তালা ভেঙে শ্রমিকদলের অফিস করা হয়েছে”। আমরা মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দলের পক্ষ থেকে এই ধরনের মিথ্যাচারের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
প্রথমত, মোহাম্মদপুর চাঁদ উদ্যান মাঠে কোনো পথশিশু স্কুলের তালা ভাঙা হয়নি এবং শ্রমিকদলের কোনো নেতৃবৃন্দ ওই স্থানে জোরপূর্বক অফিস স্থাপন করেননি। উল্লিখিত আলী কাউসার পিন্টু, ইব্রাহিম, ফারুক, কামাল মৃধা ও সেলিম রেজা—এরা সকলে এলাকার দায়িত্বশীল, রাজনৈতিকভাবে সচেতন ও সমাজসেবামূলক কাজে সম্পৃক্ত ব্যক্তি। এদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা বা কোনো অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ মিথ্যা, মানহানিকর ও ষড়যন্ত্রমূলক।
সাংবাদিক ও স্থানীয় গণমানুষের সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, চাঁদ উদ্যান মাঠ সংলগ্ন যে স্থান নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, সেখানে কোনো স্কুল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল না। পার্শ্ববর্তী দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা কখনো কোনো স্কুল বা তালা ভাঙার ঘটনা দেখেননি।
এক দোকানদার বলেন: “আমরা এখানেই দোকান করি। এখানে তো কোনো স্কুল ছিল না, আর তালা ভাঙা তো দেখিই নাই। এইসব মিথ্যা কথা কে ছড়ায় বুঝি না।”
মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দলের পক্ষ থেকে বলা হয়—
“আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়া কর্মী। আমাদের রাজনৈতিক চর্চা আদর্শিক, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে গঠিত। আমাদের দল কখনো কোনো দখলদারি বা জবরদস্তিকে প্রশ্রয় দেয় না, বরং বিরোধিতা করে।”
এই সংবাদ ছড়ানোর পেছনে একটি কুচক্রী মহল কাজ করছে, যারা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোকে জনবিচ্ছিন্ন করতে চায়। ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর নানা কুৎসা রটিয়ে রাজপথের রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে চাচ্ছে।
থানা শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা আহ্বান জানাই: এই মিথ্যা ও অপপ্রচারমূলক সংবাদের উৎস অনুসন্ধান করে দায়ীদের চিহ্নিত করা হোক।গণমাধ্যম যেন যাচাই-বাছাই ছাড়া এমন ভিত্তিহীন খবর প্রচার না করে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করুক।
পরিশেষে, আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই—মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দল সবসময় শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী, এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় অবিচল থাকবে।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :