ঢাকার ধামরাইয়ে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হ'ত্যা | Daily AjKaler Kontho

ঢাকার ধামরাইয়ে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হ’ত্যা


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : মার্চ ২০, ২০২৫, ৬:২২ অপরাহ্ন
ঢাকার ধামরাইয়ে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হ’ত্যা

মো: সাফায়েত খান,ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি : ঢাকার ধামরাইয়ে দিনেদুপুরে বাড়ির পাশে দূর্বৃত্তদের কোপে আবুল কাশেম (৫৭) নামে বিএনপির এক নেতা নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে জানিয়ে পুলিশ বলছে ঘটনায় জড়িতদের আটকে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এর আগে, বেলা ১২টা দিকে উপজেলার গাংগুটিয়া ইউনিয়নের জালসা এলাকায় তাকে দূর্বৃত্তরা কোপায় বলে জানায় পরিবার।

নিহত আবুল কাশেম (৫৭) ধামরাইয়ের গাংগুটিয়া ইউনিয়নের জালসা এলাকার মৃত রইজ উদ্দিন মাস্টারের ছেলে। তিনি গাংগুটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ছিলেন।

নিহতের স্ত্রী জানায়, তার স্বামী বাসা থেকে মানিকগঞ্জ যাবার উদ্দেশ্যে বের হলে কয়েক জন দুর্বৃত্ত তাকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

তিনি আরোও বলেন, মৃত্যুর আগে কোপানোয় জড়িতদের নাম তার কাছে জানিয়েছেন আবুল কাশেম। স্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী কোপানোয় জড়িতরা হলেন- আব্দুল জলিল, বাছেদ, বাবু, বিল্টু, আলী, আহাদ, সাইম, গফুর, মালেক। তারা সবাই গাংগুটিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

নিহতের ছোট ভাই খলিলুর রহমান বলেন, দুপুর ১২টার দিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সড়কেই সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়েছে। তবে কতজন তা জানি না, সে একা ছিল। একা পেয়ে তাকে কুপিয়েছে, তবে রাজনৈতিক কারণে তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা তার।

এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইনচার্জ মো. ইউসুফ বলেন, দুপুর ১টার দিকে মৃত অবস্থায় তাকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়।

গাংগুটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোজাম্মেল হক মোজা বলেন, ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবুল কাশেমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বাড়ি থেকে বাজারে যাওয়ার সময় দূর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে। রাজনৈতিক বিরোধের কারণে এ হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা তার।

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী শেষে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া, হত্যাকান্ডের কারন অনুসন্ধানসহ ঘটনায় জড়িতদের আটকে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।