
মো: নাসির খান (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি : শনিবার ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টার দিকে ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান মানিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত রাসেল সরদার ইসলামপুর ইউনিয়নের ভাঙ্গাব্রীজ এলাকার ইসহাক সরদারের ছেলে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানাগেছে, শুক্রবার ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে ডামুড্যা-শরীয়তপুর সড়কের পাশে ইসলামপুর ভাঙ্গাব্রীজ বাজারে একটি সেলুনে চুল-দাঁড়ি কাটার সময় সাইফুল মাদবর ও তার লোকজন এসে রাসেল এর ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। তারা চলে যাওয়ার পরে স্থানীয়রা রাসেলকে উদ্ধার করে প্রথমে শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসা নেয়ার পূর্বেই রাত তিনটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের মামা মজিবর সরদার গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা আওয়ামী লীগ করতাম এটাই কি আমাদের দোষ। আমার ভাগিনা আওয়ামী লীগ করতো বলে বিএনপির সাইফুল ও তার লোকজন কুপিয়ে হত্যা করেছে। ছোট ছোট দুটি বাচ্চাকে এতিম করে দিয়ে গেলো। আমরা ওদের ফাঁসি চাই।
নিহতের ভাবী সীমা আক্তার দৈনিক রুদ্রবার্তাকে বলেন, আমার দেবর রাসেলকে বিএনপি নেতা সাইফুল ও তার লোকজন কুপিয়ে হত্যা করেছে। ওর ঘরে স্ত্রী ও ছোট ছোট দুটি বাচ্চা আছে। আমরা দোষীদের বিচার চাই।
নিহতের বোন ইয়াসমিন গণমাধ্যমকে বলেন, আমার ভাইকে ওরা কুপিয়ে মেরে ফেলল। আমার ভাই তো কারো কখনো ক্ষতি করেনি। আমি আমার ভাইয়ের খুনিদের কঠিন বিচার চাই।
ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। নিহতের বাবাসহ পরিবারে সদস্যরা থানায় এসেছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। আমরা পরিস্থিতি মোকাবেলায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি।
পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে রাসেল নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আপনার মতামত লিখুন :