
গৌরনদী প্রতিনিধি, এ,এস,মামুন : বাস্তবে জীবিত হলেও ওয়ারিশ সনদ প্রত্যয়নপত্রের কাগজে মৃত। এমনই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলায়। সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, গৌরনদী উপজেলার ১নং খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মেদাকুল গ্রামের পল্লী চিকিৎসক ৬৫ বছর বয়সি বাবু রাম শীল ওরফে (দুলাল) কে ওয়ারিশ সনদপত্রের কাগজে মৃত দেখান ২০২৩ সালের ৯ ডিসেম্বর খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার। ওয়ারিশ সনদে যাকে মৃতু দেখানো হয়েছে তিনি মেদাকুল গ্রামের শৈলেন্দ্র নাথ শীলের বড় ছেলে এমনটাই জানান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাবু রাম শীল ওরফে দুলাল তিনি বলেন আমি বেঁেচ আছি।
তবে বাবু রাম শীল যে মারা যায়নি তা জানা গোলোর তার বাবা শৈলেন্দ্র নাথ শীল ও গর্ভদারিনী মা বেলা রানী শীলের সাথে কথা বলে। তারা আরও জানান যে তাদের ৫জন ছেলে ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের কোন ছেলে মারা যায়নি।
এ বিষয়ে খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শহীদ ফকিরের কাছে জানতে চাওয়া হলে জীবিত ব্যক্তিকে কেন মৃত দেখানো হলো তিনি জানান, প্রতারণা করেছে পিন্টু শীল ও তার পিতা শৈলেন্দ্র নাথ শীল তবে। খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের কাগজ পত্র ঘেটে জানা যায় ইউপি সদস্য শহীদ ফকির নিজেই মোটা অংকের টাকার বিনিময় ভুল তথ্য দিয়ে ওয়ারিশ সনদপত্রে স্বাক্ষর করেছেন।
জীবিত ব্যক্তিকে মৃত ওয়ারিশ সনদপত্র দেওয়ার বিষয়ে খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের সচিব মোঃ নাসির উদ্দিন সিকদার বলেন ইউপি সদস্য যে ওয়ারিশ সনদপত্র দিয়েছেন এটি উনি অন্যায় করেছেন আসলে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখিয়ে ওয়ারিশ সনদপত্র দেয়া বেআইনি এবং আইন বিরোধী কাজ করেছেন ওই ইউপি সদস্য।
আপনার মতামত লিখুন :