আলু সংকট বাজারগুলোতে | Daily AjKaler Kontho

আলু সংকট বাজারগুলোতে


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৩, ৪:২৪ অপরাহ্ন
আলু সংকট বাজারগুলোতে

আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : হিমাগার থেকে আলু না আসায় মেহেরপুরের গাংনীর হাট বাজারগুলোতে দেখা দিয়েছে আলু সংকট। ভিন্নপথে আসা কিছু আলু খুচরা কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ। সরকারি মূল্যে হিমাগার থেকে আলু বিক্রি না করায় মেহেরপুরের পাইকার ব্যবসায়ীরা আলু বিক্রি করছে না। যার বিরুপ প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।

গাংনীর দুটি কাঁচা বাজারের মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে আলু সরবরাহ করা হয়। এখানকার আড়তদারা উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলার হিমাগার থেকে আলু সংগ্রহ করে জেলার চাহিদা পূরণ করেন । গেল ১৪ সেপ্টেম্বর আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের পাইকারী এবং খুচরা দাম নির্ধারণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। স্থানীয় বাজারে নির্ধারিত দরে এসব কৃষি পণ্য বিক্রি করতে নির্দেশনা দিয়েছেন কৃষি বিপণন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। তবে হিমাগারগুলো সরকার নির্ধারিত আলুর দাম মানছেন না। তাই জেলার পাইকার ব্যবসায়ীরা হিমাগার থেকে আলু আনা বন্ধ করে দিয়েছেন।

গেল সোমবার বামন্দী ও মঙ্গলবার গাংনী হাটে দেখা গেছে ব্যবসায়িদের চটে আলু নেই। দুয়েক জনের কাছে আলু পাওয়া গেলেও তার দাম চড়া। বাজারে আলুর কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। আলু সংকটের কারণে দাম বেড়েছে। ক্রেতারা প্রয়োজনের তাগিদে এই দরে আলু কিনছেন। কয়েকজন জানান, বাজারে মোবাইল কোর্ট হতে পারে তাই আলু নিয়ে তারা বসছেন না। চড়া দামে বিকল্প পথে আলু কিনে কম দামে বেচার সুযোগ নেই। এতে লোকসান গুনতে হবে তাদের।

ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আড়তগুলো আলু উত্তোলন না করলেও বিকল্প পথে কিছু আলু আসছে খুচরা বাজারে। সংকট থাকায় এ আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজিতে। ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

মেহেরপুর জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক জানান, সরকার নির্ধারিত ৩৫-৩৬ টাকা দরেই আলু বিক্রি করতে হবে। ব্যবসায়ীরা যে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে তা অচিরেই দূর হবে বলে আশা করছেন তিনি।