স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপ পর্যন্ত ওয়ানডে দলের অধিনায়ক করা হয়েছে দেশসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে। তামিম ইকবাল চলতি মাসে ওয়ানডে অধিনায়কের পদ থেকে সরে যাওয়ায় সাকিবের হাতে এশিয়া কাপ ও আসন্ন বিশ্বকাপে দলকে সামলানোর গুরুভার তুলে দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
আর তারই প্রেক্ষিতে আসন্ন বিশ্বকাপে নিজেদের লক্ষ্যের কথা জানালেন দেশের ক্রিকেটের এই পোস্টারবয়।
আসন্ন বিশ্বকাপে ভালো কিছু করতে আশাবাদী এই বাঁ-হাতি। জাতীয় দলের সাম্প্রতিক সময়ের পারফরম্যান্স আসন্ন বিশ্বকাপে আশা দেখাচ্ছে তাকে।
বহুল সমালোচিত এক দল নিয়ে তিনি দ্বিতীয় দফায় ওয়ানডে দলের নেতা হিসেবে যাত্রা শুরু করবেন ‘বিশ্বকাপের ওয়ার্ম আপ টুর্নামেন্ট’ এশিয়া কাপ দিয়ে। ২০১১ বিশ্বকাপের অধিনায়ক হিসেবে থাকা তরুণ সাকিব ২০২৩ বিশ্বকাপে এসে পরিপক্ক হয়েই নেতৃত্ব দেবেন দলকে। দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দিতে যাওয়া বাঁ-হাতি এই অলরাউন্ডারের কাছে তাই ভক্তদের চাওয়াটাও থাকবে বেশি এমনটাই স্বাভাবিক।
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে জাফনা কিংসের বিপক্ষে গল টাইটান্সের ম্যাচ শেষে এক সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, ‘গত চার বছরে আমরা কত ভালো দল হয়েছি, সেটা দেখানোর দারুণ একটা চ্যালেঞ্জ এটা। বিশ্বকাপে ভালো করার দারুণ সুযোগ আমাদের। আমরা খুব ভালো দল এবং সাদা বলের ফরম্যাটে আমরা সত্যিই খুব ভালো খেলছি। সুতরাং আমরা কতটা ভালো দল, সেটা এখন সবাইকে দেখানোর সময় হয়েছে।’
২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশকে ৪৯ ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সাকিব। প্রথম দফায় অধিনায়কত্ব পেয়ে দলকে জয় এনে দেন ২২ ম্যাচে। দেশের ক্রিকেটের এই পোস্টারবয়ের নেতৃত্বে ২০১১ বিশ্বকাপে খেলেছিল বাংলাদেশ।
সে বছরই তাকে অধিনায়কের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আর স্থায়ীভাবে ওয়ানডে দলের অধিনায়ক করা হয়নি তাকে। এবার দায়িত্ব পাওয়ার আগে সবশেষ ২০১৫ সালে দুটি ও ২০১৭ সালে একটি ম্যাচে সাকিব ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন। এই ম্যাচ তিনটিতে তাকে অধিনায়ক করা হয়েছিল তৎকালীন অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার ইনজুরির কারণে।
আপনার মতামত লিখুন :