ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৮ কেজি গাঁজা, ২০০ পিস ইয়াবা ও একটি সিএনজি উদ্ধার; দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার | Daily AjKaler Kontho

ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৮ কেজি গাঁজা, ২০০ পিস ইয়াবা ও একটি সিএনজি উদ্ধার; দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার


ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ২২, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ন
ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৮ কেজি গাঁজা, ২০০ পিস ইয়াবা ও একটি সিএনজি উদ্ধার; দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের পৃথক দুটি সফল অভিযানে ৮ কেজি গাঁজা, ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি সিএনজি উদ্ধারসহ দুইজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রথম অভিযানে ডিবি পুলিশের এসআই মোঃ আরিফ হাসান সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ বিকেল আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে (১৪.৩০ ঘটিকায়) ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও থানাধীন মাইজহাটি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় একটি সিএনজির পেছনের ইঞ্জিন ডালার উপর বিশেষভাবে তৈরিকৃত গোপন বাক্সের ভেতর থেকে ৮ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ বাদল মিয়া (৩৯) কে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত বাদল মিয়ার পিতা মোঃ রমজান মিয়া, মাতা মোছাঃ রেনু বেগম। তার স্থায়ী ঠিকানা—চিনাইর (পূর্বপাড়া চৌধুরীবাড়ী), থানা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া। তার বিরুদ্ধে পূর্বে ৩টি মাদক মামলা রয়েছে।

অপর অভিযানে ডিবি পুলিশের এসআই মোঃ মুকিত হাসান সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ একই দিন বিকেল আনুমানিক পৌনে ৫টায় ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী মডেল থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী দেওয়ান মোহাম্মদ আলী (৫৪) কে গ্রেফতার করেন।

গ্রেফতারকৃত দেওয়ান মোহাম্মদ আলীর পিতা দেওয়ান জহিরুল হক, মাতা রেজিয়া খাতুন। তার ঠিকানা—কাঞ্চন, কেরাব দেওয়ান বাড়ি, থানা-রূপগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ। তার বিরুদ্ধেও পূর্বে ৩টি মাদক মামলা রয়েছে।

উদ্ধারকৃত ৮ কেজি গাঁজা, একটি সিএনজি ও ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত দুইজন আসামীর বিরুদ্ধে গফরগাঁও ও কোতোয়ালী মডেল থানায় পৃথক মামলা দায়ের করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ডিবি পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিল। এই চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সদস্যদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডিবি পুলিশের এই সফল অভিযানে জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং ময়মনসিংহ জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

আজকালের কন্ঠ/আর বি