দুমকিতে এলজিইডি সড়কের বেহাল দশা: দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীর চরম দুর্ভোগ! | Daily AjKaler Kontho

দুমকিতে এলজিইডি সড়কের বেহাল দশা: দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীর চরম দুর্ভোগ!


দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৬, ২০২৫, ৩:২৮ অপরাহ্ন
দুমকিতে এলজিইডি সড়কের বেহাল দশা: দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীর চরম দুর্ভোগ!

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের জলিশা এলাকার এলজিইডি নির্মিত হেরিংবোন সড়কের বেহাল দশায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা। ওই সড়ক দিয়েই প্রতিদিন যাতায়াত করেন জলিশা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ও জলিশা তালুকদার ইসলামিয়া স্বতন্ত্র ইফতেদায়ি মাদ্রাসার পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শহিদ মেম্বার বাড়ি থেকে আলম মাস্টার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৮৫০ মিটার দীর্ঘ রাস্তাটির হেরিংবোনের ইট উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। কিছু স্থানে জঙ্গল গজিয়ে রাস্তাটি প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বর্ষা মৌসুমে হাঁটুসমান কাদা জমে চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় রিকশা চালক মনির হোসেন বলেন, “রাস্তাটা এত খারাপ যে গাড়ি নিয়ে চলা মানে দুঃস্বপ্নের মতো। একটু বৃষ্টি হলেই আর যাওয়া যায় না।”
জলিশা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ আতিকুল ইসলাম জানান, “প্রতিদিন খারাপ রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা পড়ে গিয়ে আঘাত পায়। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য এটা আরও কষ্টকর।”

একই অভিযোগ করেন জলিশা তালুকদার ইসলামিয়া স্বতন্ত্র ইফতেদায়ি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আবু মুছা। তিনি বলেন, “বিষয়টি এলজিইডি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে জানানো হলেও এখনও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”

স্থানীয় বাসিন্দা সৈয়দ আমিনুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই রাস্তায় কষ্ট পাচ্ছি। দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ না নিলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।”

এ বিষয়ে দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “উপজেলার সকল ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক আমরা তালিকাভুক্ত করেছি। নতুন প্রকল্প অনুমোদন পেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জরুরি রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবে শুধু সংস্কার নয়—সড়কটি স্থায়ীভাবে পাকা করা এখন সময়ের দাবি।