তালায় কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা গুঞ্জন! হত্যা না আত্মহত্যা? | Daily AjKaler Kontho

তালায় কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা গুঞ্জন! হত্যা না আত্মহত্যা?


সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি  :  প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৭, ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ন
তালায় কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা গুঞ্জন! হত্যা না আত্মহত্যা?

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মাগুরা ইউনিয়নের ধুলন্ডা গ্রামে নীলা খাতুন (১৬) কলেজ পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার (৬অক্টোবর) রাতে জানাজা নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

নীলা ধুলন্ডা গ্রামের লিটন শেখের মেয়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে ফিরে ঘরের ভেতর নীলাকে গলায় ওড়না পেচানো দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান। তাদের ডাক চিৎকারের পার্শ্ববর্তী লোকজন এগিয়ে আসলে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় দ্রুত তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় নিচে নামানো হয়।
স্থানীয় এলাকাবাসীদের ধারণার মতে নীলা তখনও জীবিত ছিলো। দ্রুত এ সময় তাকে উদ্ধার করে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় এলাকাবাসীদের মতে এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা? তদন্ত করলে আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে। উল্লেখ্য গত শুক্রবার নীলার পরিবারের সাথে পার্শ্ববর্তী একটি পরিবারের মোবাইল ফোনের ভয়েসের কথাবার্তা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়,যেটি এক পর্যায়ে হাতাহাতিতে রুপ নেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিলার পরিবার আমজাদ গং পরিবারের নামে থানায় একটা অভিযোগ দায়ের করে।

হত্যার বিষয়ে অভিযুক্ত আমজাদ পরিবারের গংদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাদের বাড়িতে পাওয়া যায়নি, তবে বাড়িতে যারা অবস্থান করছিল তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তারা এ ঘটনার বিষয় কিছুই জানে না।পার্শ্ববর্তী লোকজনের চিৎকারের ফলে তারা বিষয়টি জানতে পারে ।

নীলার বাবা লিটন শেখের দাবি, তাঁর মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। তাকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, ঘটনার সময় বাড়িতে কেউ না থাকায় এ সুযোগ নেওয়া হয়েছে। এদিকে ৭ জনকে আসামী করে এজহার দায়ের করেছে নিহতের বাবা লিটন সেখ। তালা থানার মামলা নং ৪।

তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। মামলা হওয়ার পর থেকে এজাহারভুক্ত আসামিরা বাড়িতে নেই বলে স্থানীয় সূত্রে জানাযায়।