
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যোগ্য প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়ে মার্কেটের সকল অসুবিধায় ব্যবসায়ীদের পাশে থাকবেন এমন প্রত্যাশা ভোটারদের। উন্নয়নের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে, জয়ী করতে চান তারা। জয়ী হয়ে ইশতেহার বাস্তবায়নে অগ্রগামী ভূমিকা রাখতে চান প্রার্থীরা। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় সকল পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন এই নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ব্যানারে পোস্টেরে ছেঁয়ে গেছে পুরো নির্বাচনী এলাকা।
রবিবার (১৮ই অক্টোবর) রাজধানীর বনানীতে, মার্কেটটির নিজস্ব অফিসে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ১১টি পদের বিপরীতে মোট ২৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সভাপতি পদে নির্বাচন করছেন ৩ জন, সহ-সভাপতি পদে ২ জন, সাধারণ সম্পাদক পদে ৩ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ২ জন, কোষাধ্যক্ষ পদে ২ জন, সহ-কোষাধ্যক্ষ পদে ২ জন, দপ্তর সম্পাদক পদে ২ জন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ৩ জন ও সদস্য পদে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহণ। মোট ভোটার সংখ্যা ২২৭ জন।
নির্বাচন চলাকালীন সময়ে একাধিক প্রার্থী বলেন, আজকে আমাদের মিলন মেলা। সবার সাথে দেখা হচ্ছে খুবই ভালো লাগছে। আমরা প্রার্থীরা ভাই ভাই। যেই জয়ী হবে, তার সাথে এক হয়ে, এই মার্কেটের ব্যবসায়ীদের উন্নয়নে কাজ করব। উন্নয়নের বিকল্প কিছু নাই। জয়ী হলে ইশতেহার বাস্তবায়নে সকলকে নিয়ে অগ্রগামী ভূমিকা রাখব।
একাধিক ভোটার বলেন, নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করা সকল প্রার্থী আমাদের আপনজন। সবাইকে তো জয়ী করতে পারবোনা। তবে যেই জয়ী হবে সে সকলকে নিয়ে এই বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ীদের উন্নয়নে কাজ করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সকল ব্যবসায়ীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকবে এটাই আমাদের কাম্য।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার, কবির আহমেদ সরকার বলেন, নির্বাচনের সকল নিয়ম-কানুন মেনে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছে প্রার্থীরা। সকাল থেকেই স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ভোটারগন ভোট প্রয়োগ করছে। ভোটার বা প্রার্থীদের পক্ষ থেকে কোন ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায় নি। অভিযোগ পেলে সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও প্রার্থীরা একে অপরের আপনজন। কোন বিশৃঙ্খলা হওয়ার সুযোগ নেই। যে কোন ধরনের অপ্রতিকর ঘটনা রোধে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা কারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন। এ সময় সহকারী নির্বাচন কমিশনার আশরাফ আহমেদ, শামসুজ্জামান রনি, দিলীপ চৌধুরী টুম্পা, এবং শহীদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা কমিটির আবদুল বাতেন নকী, হাজী নাসির উদ্দীন, আবদুল হালিম, মাসুদ রানা মুকুল, হাবিবুর রহমান লিটন, এবং এস এম শামসুদ্দিন বাহার। ভোটার তালিকা ও প্রার্থীর তথ্য যাচাই-বাছাই কমিটির এ জে এম আবদুর রাজ্জাক (যুগ্ম আহ্বায়ক, বিএনপি ঢাকা মহানগর উত্তর), মোরশেদ (এম এইচ এলন ফ্যাশন), হাজী সিরাজুল ইসলাম (আজমির ট্রেডার্স), মিজানুর রহমান (টপ ওয়ান ট্রেডার্স) এবং আবদুল হান্নান (আলী অ্যান্ড ট্রেডার্স) এবং নির্বাচনের সার্বিক পর্যবেক্ষণে ছিলেন আবদুল আলীম নকী (সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, বিএনপি ঢাকা মহানগর উত্তর), রেজাউর রহমান ফাহিম (সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি, বিএনপি ঢাকা মহানগর উত্তর), মিজানুর রহমান বাচ্চু (সাবেক সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি, বিএনপি ঢাকা মহানগর উত্তর) এবং মিজানুর রহমান মিজান (সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, বনানী থানা বিএনপি)।
আপনার মতামত লিখুন :