
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারি সম্পত্তি জনগণের জন্য এবং সরকারি কাজেই ব্যবহার করা হবে। ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার জন্য সরকারি সম্পত্তি ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) হেদায়েত রাশিদা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ-এর ১০ তলা ভিত বিশিষ্ট ১ তলা একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।
হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, আমরা এমন একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন করতে চাই, যার মূল ভিত্তি হবে সুশিক্ষা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার মান ও পরিবেশ উন্নত করার ওপর গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধু দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মাণ করলেই হবে না, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশও নিশ্চিত করতে হবে।
সরকারি জমিতে কোনো ব্যক্তির বাবা-মায়ের নামে স্থাপনা করার সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাঁদের সরকার এ ধরনের মানসিকতা পোষণ করে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সরকার সহযোগিতা করবে, তবে সরকারি সম্পত্তি ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। আগামী দিনেও জনগণের কাছেই যেতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করেই তাদের মন জয় করতে হবে। তাই আমরা জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে চাই। জনগণের সকল সমস্যা সমাধানে সকলকে নিয়ে বাংলাদেশ গড়তে চাই।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা বা ব্যবসা করার বিরুদ্ধেও কঠোর হুঁশিয়ারি দেন হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগের নামে কেউ সরকারি বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জমি দখল করতে পারবেন না। সরকারি সম্পত্তি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা যাবে না। প্রয়োজনে নিজের লোকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়াও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে আড্ডাবাজি, মাদক বা অবৈধ কর্মকাণ্ড চলবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কবরস্থান, মন্দিরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়েও কথা বলেন তিনি। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে স্কুল, কলেজ, কবরস্থান ও মন্দির কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক করে সরকারি কাগজপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে যার যতটুকু প্রাপ্য, তা নির্ধারণের কথা জানান।
হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, সরকারি সম্পত্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কবরস্থান, মন্দির, পানির পাম্প, খেলার মাঠ ও পার্কসহ জনস্বার্থে ব্যবহার করা হবে। ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার জন্য সরকারি সম্পত্তি ব্যবহারের সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না বলে হুশিয়ারী দেন তিনি।
এ সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, সবুজবাগ থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, খিলগাঁও থানা ও ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :