
শাহাদাত হোসেন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি : কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতি’র (মাধ্যমিক) সম্মেলনে শেখ সাদী ভূঞা সভাপতি, মাওলানা মিজানুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতির ৩২ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।
সমিতির ‘শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ করে সরকারি-বেসরকারি বৈষম্য দূরীকরণ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০ সেপ্টেম্বর (শনিবার) বসুরহাট নির্ঝর কনভেনশন সম্মেলন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
নির্ঝর কনভেনশনে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতি শিক্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠান সভাপতিত্ব করেন, হাজারী হাট বিএম কলেজ এর ভারপ্রাপ্ত মুহাম্মদ অধ্যক্ষ শেখ সাদী ভূঁঞা,অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন বসুরহাট মডেল হাই স্কুল এর সিনিয়র শিক্ষক হারুন-অর রশিদ।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতি’র সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন কমিটি গঠন করা হয়।
বক্তারা বলেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতির শিক্ষক সম্মেলনে ৩২ সদস্যের কমিটি উদ্দেশ্য করার কারণ হলো একটি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী কমিটি উপহার দেওয়া হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন শাখার শিক্ষকদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে এবং সমিতির সামগ্রিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য, এই কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যপরিধি বৃদ্ধি পায় এবং শিক্ষক সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হয়।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতি কমিটি গঠনের কারণ ও উদ্দেশ্য হচ্ছে, প্রতিনিধিত্ব ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা: ৩২ সদস্যের একটি কমিটি বিভিন্ন বিদ্যালয় ও শাখার শিক্ষকদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে। এর ফলে সব শিক্ষকের মতামত ও চাহিদা কমিটিতে উঠে আসে এবং সবাই সংগঠনের কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে।
কাজের পরিধি বৃদ্ধি: বড় কমিটি গঠনের ফলে সমিতির কাজ ভাগ করে নেওয়া সহজ হয়। বিভিন্ন বিভাগের জন্য নির্দিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য থাকলে কাজের গতি বাড়ে এবং কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগানো: ৩২ সদস্যের কমিটিতে অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাদের জ্ঞান ও দক্ষতা ব্যবহার করে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা যায়।
শিক্ষকদের স্বার্থ রক্ষা: শিক্ষকদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার আদায়ের জন্য একটি বড় এবং সুসংগঠিত কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এটি বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি এর মতো সংগঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে শিক্ষকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে কাজ করতে হয়।
সমিতিকে শক্তিশালী করা: একটি বিস্তারিত কমিটি সমিতির প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামোকে শক্তিশালী করে। এটি ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করে এবং সংগঠনের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে।
বিরোধ ও সমস্যা নিরসন: একটি বড় কমিটি গঠন করা হলে বিভিন্ন শিক্ষক গোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্যমান বা সম্ভাব্য বিরোধ সহজে নিরসন করা সম্ভব হয়। সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি পায় এবং সবাই মিলেমিশে কাজ করার সুযোগ পায়।
নোয়াখালী জেলা বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকদের সংগঠন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতি শিক্ষক সম্মেলন মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠিত কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন- সভাপতি ১জন সহ-সভাপতি ৭ জন, সাধারণ সম্পাদক১ জন, সহ-সাধারণ সম্পাদক ৪ জন,সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ১জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৪ জন, সাংগঠনিক সম্পাদক ১জন,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক১ জন,কোষাধ্যক্ষ ১জন দপ্তর সম্পাদক ১জন, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ১জন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ১জন,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ১জন, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ১জন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ১জন, দুর্যোগ ও ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক ১ জন, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ১জন,ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক১ জন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ১ জন।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সম্মেলনে ৩২ সদস্যের কমিটি উদ্দেশ্য করার মূল কারণ হলো একটি শক্তিশালী, প্রতিনিধিত্বশীল এবং কার্যকর সংগঠন তৈরি করা, যা শিক্ষকদের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে, এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা,উপজেলা মাধ্যমিক সুপারভাইজার।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন, বসুরহাট পৌরসভার বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল, বসুরহাট পৌরসভার জামায়াতের আমির মাওলানা মোশারফ হোসেন,শিক্ষক নেতারা।
আজকালের কন্ঠ/আর বি/এস
আপনার মতামত লিখুন :