সাধক শ্রী শ্রী রঘুনন্দন চৌধুরী'র ৩৯৯তম বার্ষিকী মহোৎসব উদযাপিত | Daily AjKaler Kontho

সাধক শ্রী শ্রী রঘুনন্দন চৌধুরী’র ৩৯৯তম বার্ষিকী মহোৎসব উদযাপিত


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ২২, ২০২৫, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন
সাধক শ্রী শ্রী রঘুনন্দন চৌধুরী’র ৩৯৯তম বার্ষিকী মহোৎসব উদযাপিত

রাউজান প্রতিনিধি : ঐতিহাসিক সাধক শ্রী শ্রী রঘুনন্দন চৌধুরী’র ৩৯৯তম আবির্ভাব উপলক্ষে রাউজানে তাঁর জন্মভূমিতে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য বার্ষিকী মহোৎসব।

১৯, ২০ ও ২১ ফেব্রুয়ারি তিনদিনব্যাপী আয়োজিত এ শুভ মঙ্গলময় অনুষ্ঠানে ছিল মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, নগরকীর্তন, গীতাপাঠ প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ, ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শুভ অধিবাস কীর্তন ও ষোড়শ প্রহরব্যাপী মহানাম সংকীর্তন।

গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তির সঙ্গে পালিত হলো মহামানব অলৌকিক সিদ্ধি পুরুষ সাধক শ্রী শ্রী রঘুনন্দন চৌধুরীর ৩৯৯তম বার্ষিকী মহোৎসব। হাজারো ভক্তের উপস্থিতিতে এবারের উৎসব উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আধ্যাত্মিক ভাবগাম্ভীর্যের এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়।

প্রতি বছরের মতো এবারও আয়োজিত হয় বিশেষ পূজা, নামসংকীর্তন, ধর্মীয় আলোচনা ও অন্নপ্রসাদ বিতরণ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তবৃন্দ সাধকের চরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।

উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত ধর্মীয় সভায় বক্তারা সাধক শ্রী শ্রী রঘুনন্দন চৌধুরীর জীবন ও দর্শনের ওপর আলোকপাত করেন। তাঁর আধ্যাত্মিক জীবন ও মানবকল্যাণে অবদানের কথা তুলে ধরে বক্তারা বলেন, তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ আজও মানবজাতিকে আলোর পথ দেখিয়ে যাচ্ছে।

ভক্তদের মধ্যে অপার আনন্দের সঞ্চার হয়।স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।এভাবেই প্রতি বছর ধুমধাম ও আধ্যাত্মিক ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে এই মহোৎসব, যা আগামী বছর বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে ৪০০তম বর্ষে পদার্পণ করবে।শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম সংকীর্তনে পৌরহিত্য করেন শ্রী শ্রী মদন গোপাল সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ শ্রীল মুরালী দাস গোস্বামী।

শুভ অধিবাস কীর্তন পরিবেশন করেন আশালতা কলেজের অধ্যাপক রাজীব বিশ্বাস।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রী শ্রী দশভুজা ও সাধক রঘুনন্দন চৌধুরী’র ধ্যানপীঠ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি শ্রী জ্যোতির্ময় চৌধুরী (কাজল)।

ধ্যানপীঠ পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্রী আশুতোষ মহাজন।অনুষ্ঠান সনঞ্চালনা করেন কানু রাম দাশ ও বিজয় দাশ।সহ-সভাপতি মৃদুল দাশগুপ্ত, অরুণ কান্তি মহাজন,চন্দন বিশ্বাস,দীলিপ দে,প্রদীপ কান্তি মহাজন।

সহ-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সত্যরঞ্জন দাশ, সন্তোষ দাশ,সুমন্ত নন্দী, সমীর দত্ত, দেবু প্রসাদ মহাজন, অর্থ সম্পদক তরুণ তপন নন্দী, সহ অর্থ সম্পদক ডাঃ শিমুল কান্তি দে,দোলন নন্দী, বিশ্বনাথ মহাজন,শ্যামল দাশ।সাংগঠনিক সম্পদক প্রনব কান্তি দাশ,সহ সাংগঠনিক সম্পদক দোদুল দাশ,সুব্রত কুমার দে,রিটন মহাজন।

সহ সাংস্কৃতিক সম্পদক সুমন মহাজন,রামপ্রসাদ নন্দী, শ্রীকান্ত সেন,সুমন দত্ত।প্রচার সম্পদক কার্ত্তিক দত্ত, সহ প্রচার সম্পদক রবি কুমার বিশ্বাস শ্যামল বিশ্বাস, দপ্তর সম্পদক বাবুল নন্দী, সহ দপ্তর সম্পদক শ্যামল শীল,বিশ্বজিৎ নন্দী , জুয়েল মহাজন, তপন বৈদ্য,সাজু রাম দাশ।

ধর্ম ও মন্দির বিষয়ক সম্পদক পৌরহিত আশিষ চক্রবর্তী,সহ ধর্ম ও মন্দির বিষয়ক সম্পদক শিব শংকর চক্রবর্তী, রঞ্জন ভট্টাচার্য্য,অমর বিশ্বাস, লিটন বৈদ্য,বসু ঘোষ।

সমাজ কল্যাণ সম্পদক রিটন দে, সহ সমাজ কল্যাণ সম্পদক সুজন মহাজন, দীলিপ মহাজন,বাপ্পী রাম দাশ,যীশু মহাজন।শিক্ষা ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পদক সত্যব্রত দাশ, সহ শিক্ষা ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পদক প্রকৌশলী রাসেল মহাজন,শম্ভু চৌধুরী, রুবেল শীল।

এতে আরো উপস্থিত ছিলন বিকাশ দাশ,সুজিত দে ডাঃ তপন সেন, প্রবীর দাশ কাঞ্চন দাশ,পলাশ কান্তি দাশ, অরবিন্দু বৈদ্য,পলাশ দত্ত,পংকজ মহাজন, শিমুল কান্তি দাশ ও উদযাপন পরিষদের সকল সদ্যস বৃন্দ।

দূর-দূরান্ত থেকে আগত হাজার হাজার অগণিত ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে এ মহোৎসব এক মহামিলন মেলায় রূপ নেয়।