মাল্টিডিসিপ্লিনারি ও ইমপ্যাক্টফুল গবেষণার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে : উপাচার্য খুবি | Daily AjKaler Kontho

মাল্টিডিসিপ্লিনারি ও ইমপ্যাক্টফুল গবেষণার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে : উপাচার্য খুবি


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ৫, ২০২৫, ৮:০২ অপরাহ্ন
মাল্টিডিসিপ্লিনারি ও ইমপ্যাক্টফুল গবেষণার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে : উপাচার্য খুবি

ইসমাইল হোসেন খুলনা : খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ এডভাইজারি কমিটি (আরএসি) এর ২০তম সভা আজ রবিবার (০৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলাস্থ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।

সভায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ২য় পর্যায়ের গবেষণা প্রকল্প প্রস্তাবনার অনুকূলে গবেষণা বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনা শেষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের ইউনিক ও ইনোভেটিভ বিষয়ে গবেষণা প্রকল্প জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এ ছাড়া হিট থেকে প্রজেক্ট পাওয়ার ব্যাপারে প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার জন্য শিক্ষকদের উৎসাহিত করা হয়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সুন্দরবন উপকূলীয় হওয়ায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে এ অঞ্চলসহ দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক। সে প্রত্যাশা পূরণে জনসম্পৃক্ত সমস্যাগুলো নিয়ে গবেষণা হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে যেসব বিষয়ে ছোট ছোট গবেষণা হয়েছে, ভবিষ্যতে তা নিয়ে বড় ধরনের গবেষণা হওয়া উচিত। এক্ষেত্রে কোলাবরেটিভ/মাল্টিডিসিপ্লিনারি ও ইমপ্যাক্টফুল গবেষণার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। যাতে গবেষণালব্ধ ফলাফল প্রান্তিক পর্যায়ে ভূমিকা রাখতে পারে।

সভায় আরও বক্তৃতা করেন আরএসি’র সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান। সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্য-সচিব এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনী কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কাজী দিদারুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কমিটির সদস্যবৃন্দ যথাক্রমে জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম হোসেন, সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ আবুসাঈদ খান, ফার্মেসী ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. শেখ জামাল উদ্দিন, স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. খো. মাহফুজ উদ-দারাইন, অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হায়দার এবং আরএসি’র বহিঃস্থ সদস্য ও মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট পাইকগাছা খুলনার মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. লতিফুল ইসলাম।