বহুল আলোচিত বাবুল হত্যা মামলার আসামি নুর আলম সুমন গ্রেফতার | Daily AjKaler Kontho

বহুল আলোচিত বাবুল হত্যা মামলার আসামি নুর আলম সুমন গ্রেফতার


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১০, ২০২৪, ৪:০৭ অপরাহ্ন
বহুল আলোচিত বাবুল হত্যা মামলার আসামি নুর আলম সুমন গ্রেফতার

চট্টগ্রাম ব‍্যুরো, মনিরুল ইসলাম পারভেজ : চট্টগ্রামে বহুল আলোচিত বাবুল হত্যামামলার প্রধান আসামি নুর আলম সুমনকে গ্রেফতার করেছে বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ। গত ০৯/১২/২০২৪ খ্রি. ভোররাতে চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সুমনকে খাগড়াছড়ি সদর থানাধীন খাগড়াছড়ি পৌরসভাস্থ উত্তর গঞ্জপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ।

গ্রেফতার এড়াতে সুমন ছদ্মবেশে আশ্রয় নিয়েছিল খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ে অবস্থিত দূর সম্পর্কের আত্মীয়ের বাসায়। এদিকে তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছিলো পুলিশ। পরপর দুইবারের ব্যর্থ অভিযানের পর তৃতীয় বার মিলল সাফল্য। পরবর্তীতে ধৃত আসামি নূর আলম সুমন বিজ্ঞ আদালতে দোষ স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে। সুমন বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন অক্সিজেন সৈয়দপাড়ার বাসিন্দা।

গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. সকাল আনুমানিক ১০.০০টার সময় আসামি সুমন ভিকটিম বাবুলের দোকানের সামনে এসে দোকানের কর্মচারীদের নিকট থেকে ৩টি মোবাইল ফোন জোরপূর্বক নিয়ে নেয়। এতে ভিকটিম বাবুল আসামি সুমনকে মোবাইল ফোনগুলো দিয়ে দিতে বললে সে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ভিকটিমকে দেখে নিবে বলে হুমকি প্রদান করে চলে যায়।

ওইদিন দুপুর আনুমানিক ১২.৪৫টার সময় বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন আশেকানে আউলিয়া ডিগ্রি কলেজের পাশে জলদার পুল এলাকাস্থ তৈয়বের স্ক্র্যাপের দোকানের সামনে আসামি সুমন রাস্তার উপর ভিকটিম মোঃ বাবুল (৫২)-কে একা পেয়ে হাতে থাকা ধারালো ছোরা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে পেটের মাঝখানে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত কাটা-জখম করে।

ভিকটিমের শোর-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ভিকটিমের মেয়ে আঁখি আক্তার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় ভিকটিমকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। ভিকটিম মোঃ বাবুল চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৭/০৯/২৪ খ্রি. সকাল আনুমানিক ০৬.৪০ ঘটিকার সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এ বিষয়ে গত ১৭/০৯/২৪ খ্রি. নিহত বাবুলের ছেলে মোঃ জিসান বাদী হয়ে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন।