
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) এস্টেট পরিদর্শক ফারুক হোসেন মালুমের বিরুদ্ধে বিপুল সম্পদ অর্জন, ক্ষমতার অপব্যবহার ও নিয়মবহির্ভূত পদোন্নতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের মধ্যে গুলশান ও উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, বাড়ি এবং রাজউক ট্রেড সেন্টারে দোকান থাকার বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগের তথ্যে বলা হয়েছে, রাজধানীর গুলশান-১ নম্বর রোডের একটি বাড়িতে ফারুক হোসেন মালুমের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এছাড়া উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টর, ১১ নম্বর সেক্টর ও ৩ নম্বর সেক্টরে একাধিক আবাসিক সম্পত্তির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার দাবি করা হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি বাড়িতে তার ও বেনামে চারটি ফ্ল্যাট থাকার অভিযোগও রয়েছে।
শুধু আবাসিক সম্পত্তি নয়, রাজউকের মালিকানাধীন রাজউক ট্রেড সেন্টারেও ফারুক হোসেন মালুম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে দুটি দোকান থাকার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একজন সরকারি কর্মচারীর বৈধ আয় ও এসব সম্পদের মধ্যে সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
এদিকে, ৫ আগস্টের পর প্রশাসনিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ফারুক হোসেন মালুম প্রভাব খাটিয়ে দ্রুত পদোন্নতি নিয়েছেন—এমন অভিযোগও রয়েছে। তার এই পদোন্নতি নিয়ম ও নীতিমালা অনুসরণ করে হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সরকারি তদন্ত বা আদালতের রায়ে সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এস্টেট পরিদর্শক ফারুক হোসেন মালুম বলেন, এসব বিষয়ে অফিসে বসে কোনো কথা বলবেন না।
অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আপনার মতামত লিখুন :