নোয়াখালীতে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার | Daily AjKaler Kontho

নোয়াখালীতে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার


শাহাদাত হোসেন, নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশের সময় : জুন ১৪, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ন
নোয়াখালীতে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এক পুলিশ পরিদর্শককে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শনিবার রাতে শিশুটি ও তার মা ফেইসবুক লাইভে এমন অভিযোগ তোলার পর তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয় বলে হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন জানিয়েছেন।

প্রত্যাহার হওয়া খোরশেদ আলম উপজেলার জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ছিলেন।

ফেইসবুক লাইভে শিশুটির অভিযোগ, জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে শিশুটির মা রান্নার কাজ করতেন। সেই সূত্রে শিশুটিও সেখানে যাতায়াত করত। মায়ের অনুপস্থিতিতে ঘর ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম শিশুটিকে বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন বলে দাবি তার।

ঘটনাটি কাউকে বললে শিশুটির মা ও ভাইকে জেলের ভাত খাওয়ানোর হুমকি দেওয়া হয়। শিশুটি ভয়ে কাউকে কিছু না বলে মাকে ঘটনাটি জানায়। পরে স্থানীয় দুই ব্যক্তিকে শিশুটির মা ঘটনাটি জানালে তারা দুই মাসের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে বিচারের কথা বলে সাদা কাগজে তাদের স্বাক্ষর নেন বলে অভিযোগ শিশুটির।

শিশুটির মায়ের অভিযোগ, এ বিষয়ে পুলিশের হাতিয়া সার্কেল কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। তিনি বলেন, সার্কেলের কাছে বিচার দিচি, সার্কেলের টাকা পয়সা খাই বিচারটা করেনি। দুজন ব্যক্তি সাদা কাগজে সই নিয়ে বিচার করবে বলে করেনি। এখন চার মাস আমি বাড়িতে যেতে পারি না।

হাতিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ কবির হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, যতদূর জানি আনুমানিক তিন মাস আগে মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এ বিষয়ে তদন্ত করে কোনো সত্যতা পাননি। এরপর থেকে শিশুটি এবং তার মা এলাকায় নেই।

শনিবার ফেইসবুকে শিশুটি এবং তার মায়ের বক্তব্য আসার পর পর খোরশেদ আলমকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়; বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তীতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

আজকালের কন্ঠ/আর বি