জবিতে শিক্ষককে অপমানের অভিযোগে রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন, পদত্যাগ দাবি | Daily AjKaler Kontho

জবিতে শিক্ষককে অপমানের অভিযোগে রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন, পদত্যাগ দাবি


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : অগাস্ট ৩, ২০২৫, ৬:১৬ অপরাহ্ন
জবিতে শিক্ষককে অপমানের অভিযোগে রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন, পদত্যাগ দাবি

জবি প্রতিনিধি : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) রেজিস্ট্রার কর্তৃক শিক্ষককে অপমান ও অসদাচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

আজ রোববার (৩ জুলাই) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহিদ রফিক ভবনের নিচে এ প্রতিবাদ জানান তারা।

এসময় শিক্ষার্থীরা ‘স্বৈরাচারের ঠিকানা, জগন্নাথে হবে না’ ; ‘এক দুই তিন চার, রেজিস্ট্রার গদি ছাড়’ ; ‘স্বৈরাচারের গদিতে, আগুন জ্বালো একসাথে’ এসব স্লোগান দেন।

এসময় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইব্রাহিম খলিল বলেন এটা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় আমরা যখন কোনো যৌক্তিক প্রশ্ন বা সমস্যা নিয়ে তার দপ্তরে যায় তখন তিনি আমাদের সাথে সহানুভূতির পরিবর্তে তিনি বিরূপ এবং অপমানজনক ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান। একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার এমন আচরণ শুধুমাত্র একজন শিক্ষার্থী নয়, পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তিনি শুধু সাধারণ শিক্ষার্থীর সাথে নয় আমাদের বিভাগের স্যারের সাথে একই রকম ব্যবহার করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে বলতে চাই জুলাই পরবর্তী সময়ে এ রকম স্বৈরাচারী আচরণ মেনে হওয়া হবে না। তিনি যদি স্বৈরাচার হয়ে উঠতে চান তাহলে তার অবস্থা ভালো হবে না।

‎একই বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জোবায়ের হোসেন বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মকর্তা তিনি এখন ক্ষেপে যাওয়া বাছুরের মত আচরণ করছে।তিনি যদি ক্ষেপতেই চান তাহলে তিনি মাঠে যাক।স্বৈরাচারের দোসরদের ঠিকানা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে হবে না।

জানা যায়, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এক শিক্ষক ইউজিসি ফান্ডেড স্কলারশিপ পাওয়ার পর ইউজিসি প্রদত্ত শর্ত অনুযায়ী একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর নিতে গিয়ে বাজে আচরনের শিকার হন। যে কাজ একটি স্বাক্ষরে হয়ে যায়, সেখানে ওই শিক্ষককে বার বার অবজ্ঞা করা, দ্রুত করতে গেলে আরও দেরি হবে, লাঞ্চের অজুহাত দিয়ে কক্ষ থেকে চলে যেতে বলা, স্বাক্ষর করার জন্য এখানে বসে নেই, এমন নানাভাবে হেনস্তা করেন এই রেজিস্ট্রার।

আজকালের কন্ঠ/রাহাত/শাহরিয়াজ