দুমকিতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরের অভিযোগে গর্ভের সন্তানের মৃ*ত্যু | Daily AjKaler Kontho

দুমকিতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরের অভিযোগে গর্ভের সন্তানের মৃ*ত্যু


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : এপ্রিল ১০, ২০২৫, ৩:৩৭ অপরাহ্ন
দুমকিতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরের অভিযোগে গর্ভের সন্তানের মৃ*ত্যু

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:দুমকিতে জমিজমা নিয়ে বিরোধে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরের ঘটনায় গর্ভের সন্তানের মৃ*ত্যুর অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। দুমকির শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মিয়াবাড়ী এলাকায় ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীর ভাই জামাল মিয়া মৃ*ত্যু সন্তানকে সামনে রেখে ঘটনার বর্ণনায় বলেন, বিরোধপূর্ণ জমি আমরা ৫০ বছর পর্যন্ত ভোগ দখল করে আসছি উক্ত জমির দলিল ও পর্চা আমাদের নামে। স্থানীয় বিপ্লব আকন, বসির আকন ও বশির আকনের স্ত্রী কচি আক্তার মঙ্গলবার উত্তর জমিতে মাটি কাটতে গেলে আমরা বাধা দেই।

তখন বসির আকন ও তার স্ত্রী কচি আক্তার আমার ভাইয়ের ছেলে কালামকে মারধর করলে কালামের ৭মাসের অন্তঃসত্তা স্ত্রী রুমা বেগম তার প্রতিবাদ করলে বশির আকনের স্ত্রী কচি আক্তার রুমার পেটে লাথি মারে। লাথির আঘাতে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এবং আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে বাচ্চার মৃ*ত্যু হলে বুধবার রাতে সিজারের মাধ্যমে মৃ*ত্যু বাচ্চাকে বের করে আনা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী রুমা বেগমের জা আসমা বেগম বলেন, আমার দেবর কালাম মিয়াকে স্থানীয় বসির আকন ও তার স্ত্রী কচি আক্তার মারধর করলে কালামের অন্তঃসত্তার স্ত্রী রুমা বেগম তার প্রতিবাদ করলে বশির আকনের স্ত্রী কচি বেগম তার পেটে লাথি মারলে পেরে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে সিজারের মাধ্যমে একটি মৃ*ত্যু সন্তানের জন্ম হয়।

রুমার শশুর চান মিয়া বলেন, আমার ছেলের কোন সন্তান নাই। আল্লাহ আমার পুত্রবধূর পেটে একটি সন্তান দিয়েছিল। সেই সন্তান কে তারা লাথি মেরে মেরে ফেলল।

অভিযুক্ত কচি আক্তারের স্বামী বশিরা আকন বলেন ঐদিন এরকম কোন মারামারির ঘটনাই ঘটেনি সম্পূর্ণ বানোয়াট।

দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকির হোসেন বলেন,জমিজমা নিয়ে বিরোধের বিষয়টি আমি জানি কিন্তু মারামারির ঘটনা আমার জানা নাই।ভুক্তভোগীরা মৃত বাচ্চা নিয়ে থানায় গেলেও ওসি বলেন কেহ থানায় আসেনি।