
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বেঁচে থাকার জন্য ত্রাণ নিতে এসেও রক্ষা পেলোনা গাজাবাসী। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় খাবারের জন্য অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিনিদের উপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী ।
কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইসরায়েলি সেনাদের হামলায় বৃহস্পতিবার খাদ্যের জন্য অপেক্ষায় থাকা গাজার অন্তত ১০৪ জন বাসিন্দা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও সাত শতাধিক ফিলিস্তিনি। এছাড়া বুরেজের নুসেররাত এবং খান ইউনিসে শরণার্থী শিবিরেও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
এই হামলার ঘটনায় তাৎক্ষণিক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তুরস্ক। একইসঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ বলেও অভিহিত করেছে দেশটি। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘ইসরায়েল গাজাবাসীকে দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিয়েছে এবং এবার তারা মানবিক সহায়তা নিতে লাইনে দাঁড়ানো নিরপরাধ বেসামরিক লোকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের এই কর্মকাণ্ড এটিই প্রমাণ করে, সচেতনভাবে এবং সম্মিলিতভাবে ফিলিস্তিনি জনগণকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে কাজ করছে ইসরায়েল।’
এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা এবং বুধবার সকালের মধ্যেই ৭৬ জন প্রাণ হারিয়েছে। ফলে সেখানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৯ হাজার ৯৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে।
ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ বিরতির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মিশর, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্র। তারা আশা করছে, পবিত্র রমজান মাসের শুরু থেকেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর করা যাবে। গাজায় জিম্মি থাকা কয়েকজন ইসরায়েলিকে মুক্তি দেয়ার বিনিময়ে ইসরায়েলে আটক কয়েকশ’ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেয়ার কথা বলা হয়েছে ওই প্রস্তাবে।
আপনার মতামত লিখুন :