রাশমিকার ভিডিও-কাণ্ডে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে যা জানা গেল | Daily AjKaler Kontho

রাশমিকার ভিডিও-কাণ্ডে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে যা জানা গেল


আজকালের কণ্ঠ প্রকাশের সময় : নভেম্বর ১৫, ২০২৩, ৪:৪২ অপরাহ্ন
রাশমিকার ভিডিও-কাণ্ডে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে যা জানা গেল

বিনোদন ডেস্ক : কয়েক দিন ধরেই ‘ডিপফেক’ ভিডিও-কাণ্ডে খবরের শিরোনামে রয়েছেন দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। তার ওই আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এমন একটি ঘটনায় রীতিমতো ক্ষোভ ঝেড়েছেন অনুরাগী থেকে বিনোদন জগতের সহকর্মীরাও। শুধু তাই নয়, কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়ারও আর্জি জানিয়েছিলেন তারা।

এ ঘটনায় রাশমিকার পাশে এসে দাঁড়ায় দিল্লি পুলিশ। নায়িকার ‘আপত্তিকর ভিডিও’র বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন তারা। ইতোমধ্যে ওই ভিডিওর সঙ্গে সংযোগ থাকার সন্দেহে বিহারের এক কিশোরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

পুলিশের ধারণা, বিহারের ১৯ বছর বয়সী ওই কিশোরই নাকি প্রথম ভিডিওটি আপলোড করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ওই কিশোরকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করার পরিকল্পনা রয়েছে পুলিশের। সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

গত ১০ নভেম্বর ভারতীয় দণ্ডবিধির (৪৬৫, ৪৬৯) ধারায় এবং তথ্যপ্রযুক্তিসংক্রান্ত আইনের (৬৬সি ও ৬৬ই) ধারায় দিল্লি পুলিশের পক্ষে দায়ের করা হয়েছিল এফআইআর।

এর আগে গত ৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বিষয়টি নিয়ে রাশমিকা একটি পোস্টে লেখেন, নেটদুনিয়ায় আমার ডিপফেক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয় নিয়ে কথা বলতে আমার ভীষণ খারাপ লাগছে। সত্যি বলতে বিষয়টি নিয়ে আমি শঙ্কিত। আর এই শঙ্কা শুধু নিজের জন্য না, বরং তাদের প্রত্যেকের জন্য, যারা প্রযুক্তির অপব্যবহারের কারণে বিভিন্নভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, আজ একজন নারী ও অভিনেত্রী হিসেবে আমি আমার পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে কৃতজ্ঞ, যারা আমাকে এই সময়ে সমর্থন করে পাশে দাঁড়িয়েছেন।

কিন্তু এই ঘটনা যদি আমার স্কুল কিংবা কলেজ জীবনে ঘটতো, তাহলে আমি কীভাবে বিষয়টি সামাল দিতাম তা কল্পনাও করতে পারছি না। আমাদের সকলের উচিত সমষ্টিগতভাবে এই ধরনের সমস্যা নিয়ে কথা বলা।

জানা গেছে, ভিডিওটি আসলে নায়িকা রাশমিকার নয়, প্রযুক্তির সাহায্যে এটি তৈরি করা হয়েছে। এটা মূলত জারা প্যাটেল নামের এক ব্রিটিশ-ইন্ডিয়ান তরুণীর ভিডিও। সেখানেই রাশমিকার মুখটিকে এমনভাবে বসানো হয়েছে, যেটা দেখতে একেবারে বাস্তব মনে হচ্ছে। আর এই প্রযুক্তির নাম হলো ‘ডিপফেক’।

সূত্র : পিটিআই