
সম্পাদকীয় : ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর দেশের প্রথম মেট্রোরেলের উদ্বোধন করা হয়। সে সময় মেট্রোরেলের উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এর মধ্য দিয়ে পূর্ণতা পেল ঢাকা মেট্রোরেল।এটি সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। এ প্রকল্প কমলাপুর রেলস্টেশন পর্যন্ত সম্প্রসারিত হওয়ার কথা রয়েছে। উত্তরার দিয়াবাড়ি স্টেশন থেকে মতিঝিল যেতে সময় লাগবে ৩১ মিনিট; ভাড়া লাগবে ১০০ টাকা। আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের পথে ছয়টি স্টেশন থাকলেও প্রথমদিকে কয়েকটি মাত্র স্টেশনে ট্রেন থামবে।
পর্যায়ক্রমে চালু হবে সব স্টেশন। আগারগাঁও-মতিঝিল অংশে প্রথমদিকে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ট্রেন চলবে ১০ মিনিট অন্তর। মানুষ আশা করছে, আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের সব স্টেশন দ্রুতই চালু হবে এবং পূর্ণ দিনব্যাপী চলবে।
রাজধানীর সড়কে যানজট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকার বিপুলসংখ্যক যাত্রী ও যানবাহনের চাপ সামলাতে মেট্রোরেলের মতো গণপরিবহণই হতে পারে কার্যকর ব্যবস্থা। মেট্রোরেলের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। সব মিলে এর ব্যবস্থাপনাটা ত্রুটিমুক্ত রাখা প্রয়োজন। মেট্রোরেল এ নগরবাসীর জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য ও গতি আনবে বলে আমাদের বিশ্বাস। এ মহানগরীতে উত্তর-দক্ষিণমুখী সড়ক তুলনামূলক বেশি। নগরীতে পূর্ব-পশ্চিমমুখী সড়কের সংখ্যা অনেক কম। এ বাস্তবতায় ঢাকাবাসীর যাতায়াতের দুর্ভোগ পুরোপুরি নিরসনে সরকারের নীতিনির্ধারকদের উচিত এদিকটিতে বিশেষভাবে দৃষ্টি দেওয়া।
আপনার মতামত লিখুন :